৭ জেলার ১০০ স্কুলে খান একাডেমি বাংলাদেশ কার্যক্রমের অনুমোদন
৭ জেলার ১০০ স্কুলে খান একাডেমি কার্যক্রম অনুমোদিত

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতর (মাউশি) দেশের ৭ জেলার মোট ১০০টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ‘খান একাডেমি বাংলাদেশ’ কার্যক্রম বাস্তবায়নের অনুমোদন দিয়েছে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষকদের গণিত শিক্ষণ দক্ষতা উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের গণিত শিখনফল বৃদ্ধি করা। খবর বাসসের।

প্রকল্পের সময়কাল ও সহযোগিতা

বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সাজেদা ফাউন্ডেশনের আর্থিক ও কারিগরি সহযোগিতায় এক বছর মেয়াদি এই কার্যক্রম ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত চলমান থাকবে। বৃহস্পতিবার মাউশির এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

আওতাভুক্ত জেলাসমূহ

কার্যক্রমটি যে ৭ জেলায় বাস্তবায়িত হবে সেগুলো হলো— ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, নরসিংদী, চাঁদপুর, কুমিল্লা ও পঞ্চগড়। সাজেদা ফাউন্ডেশনের পরিচালনায় এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো খান একাডেমি বাংলাদেশ প্ল্যাটফর্মের কার্যকর ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের গণিতভীতি দূর করা এবং ডিজিটাল ডিভাইসের টেকনিক্যাল সমর্থনের মাধ্যমে পাঠদান আধুনিকায়ন করা।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পাঁচটি প্রধান কার্যক্রম

প্রকল্পের প্রধান কার্যক্রম সম্পর্কে আদেশে পাঁচটি লক্ষ্য উল্লেখ করা হয়েছে। এগুলো হলো: প্রথমত, বিদ্যালয়ের গণিত শিক্ষকদের শিক্ষণ দক্ষতা উন্নয়ন এবং শিখনফল বৃদ্ধির জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ আয়োজন; দ্বিতীয়ত, শিক্ষার্থীদের গণিত শিখনফল বৃদ্ধির লক্ষ্যে খান একাডেমি বাংলাদেশ প্ল্যাটফর্মের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিতকরণ; তৃতীয়ত, বিদ্যালয়ে প্রয়োজনীয় ডিভাইস সেটআপ এবং টেকনিক্যাল সমর্থন প্রদান; চতুর্থত, শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ শিখনগত সহায়তা ও কর্মশালার আয়োজন; এবং পঞ্চমত, মাসিক মনিটরিং সেশন পরিচালনা এবং অগ্রগতি রিপোর্টিং।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

শর্তাবলি ও তদারকি

আদেশে বেশ কিছু শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। শর্ত অনুযায়ী, এই কার্যক্রম পরিচালনাকালে জাতীয় ও ধর্মীয় চেতনা পরিপন্থি কোনো কাজ করা যাবে না। জেলা শিক্ষা অফিসার ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের সহায়তায় বিদ্যালয় নির্বাচন করতে হবে এবং সেই তালিকা মাউশি অধিদফতর কর্তৃক চূড়ান্ত অনুমোদন নিতে হবে। কোনো অবস্থাতেই মূল শ্রেণি কার্যক্রমের (ক্লাস) বিঘ্ন ঘটানো যাবে না।

আদেশে আরও বলা হয়েছে, প্রকল্পের যেকোনো পরিবর্তন, পরিমার্জন কিংবা মেয়াদ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে মাউশির পূর্বানুমতি প্রয়োজন। কার্যক্রমটি উপজেলা, জেলা, আঞ্চলিক কার্যালয় এবং মাউশি অধিদফতরের কর্মকর্তারা নিয়মিত তদারকি করবেন এবং এর ত্রৈমাসিক ও বার্ষিক অগ্রগতি প্রতিবেদন আবশ্যিকভাবে অধিদফতর বরাবর পাঠাতে হবে।