কয়েক দফা পিছিয়ে অবশেষে ২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। রোববার (১২ জুলাই) দুপুর ১২টায় এ ফল প্রকাশ করা হবে। ফল প্রকাশ উপলক্ষে ওই দিন দুপুর ১২টায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের কনফারেন্স রুমে সংবাদ ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ শাখা থেকে শনিবার (১১ জুলাই) এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ফল প্রকাশ পিছিয়ে আসার কারণ
এর আগে বৃহস্পতিবার ফল প্রকাশের কথা থাকলেও চূড়ান্ত অনুমোদন প্রক্রিয়া শেষ না হওয়ায় তা স্থগিত করা হয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, শেষ মুহূর্তে কিছু প্রশাসনিক জটিলতার কারণে ফল প্রকাশ পিছিয়ে দেওয়া হয়। তবে সব জটিলতা কাটিয়ে ওঠায় এখন ফল প্রকাশের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
ফল জানার উপায়
ফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীরা অনলাইনে, নিজ নিজ মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে ফল জানতে পারবে। ফলাফল প্রকাশের পরপরই তা অনলাইনে এবং শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে পৌঁছে দেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট বিভাগ জানিয়েছে।
এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানা
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানার সুযোগ রয়েছে। এ ক্ষেত্রে যেকোনও মোবাইল অপারেটর (টেলিটক, গ্রামীণফোন, রবি, এয়ারটেল, বাংলালিংক) থেকে নির্ধারিত নিয়মে এসএমএস পাঠিয়ে সহজেই ফলাফল জানা যাবে। মেসেজ অপশনে গিয়ে লিখতে হবে— DPE <স্পেস> রোল নম্বর এবং তা পাঠিয়ে দিতে হবে ১৬২২২ নম্বরে। উদাহরণ: শিক্ষার্থীর রোল নম্বর যদি ১২৩৪৫৬ হয়, তবে লিখতে হবে—DPE 123456 এবং পাঠাতে হবে 16222 নম্বরে। ফিরতি এসএমএসে শিক্ষার্থীর নাম ও ফলাফল চলে আসবে।
অনলাইনে ফল দেখা
মোবাইল ফোন এসএমএস ছাড়াও ঘরে বসে কম্পিউটারে বা স্মার্টফোনে ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিস্তারিত ফলাফল দেখতে পারবে শিক্ষার্থীরা। এর জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের অফিশিয়াল আইপেমিস ওয়েবসাইটে (ipemis.dpe.gov.bd) প্রবেশ করতে হবে। সেখানে ‘প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা’ অপশনটি নির্বাচন করে শিক্ষার্থীর রোল নম্বর, নিজ জেলা এবং উপজেলার নাম সঠিকভাবে ইনপুট দিয়ে ‘সাবমিট’ বা ‘ফল দেখুন’ বাটনে ক্লিক করলেই স্ক্রিনে মার্কশিটসহ ফলাফল চলে আসবে।
পরীক্ষার বিবরণ
২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় সারা দেশ থেকে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। এই পরীক্ষার মাধ্যমে মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান করা হয়, যা তাদের শিক্ষাজীবনে আর্থিক সহায়তা প্রদান করে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় আশা করছে, ফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীরা সহজেই তাদের ফলাফল জানতে পারবে এবং বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীরা পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবে।



