নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে 'বৈশাখী মেলা ১৪৩৩' অনুষ্ঠিত, জমকালো উৎসবে মেতেছিল ক্যাম্পাস
বাংলা নববর্ষের উচ্ছ্বাস, রঙ ও ঐতিহ্যের এক বর্ণিল আবহে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি সোশ্যাল সার্ভিসেস ক্লাবের আয়োজনে 'বৈশাখী মেলা ১৪৩৩' অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৫ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন খেলার মাঠে এই প্রাণবন্ত আয়োজনটি বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী, ফ্যাকাল্টি সদস্য এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে হয়ে ওঠে উৎসবমুখর ও জমকালো। পুরো প্রাঙ্গণ রঙিন ও ঐতিহ্যবাহী সাজসজ্জায় সজ্জিত ছিল, যা বৈশাখের চিরায়ত আবহকে আরও উজ্জ্বল করে তুলেছে।
বৈচিত্র্যময় স্টল ও সাংস্কৃতিক প্রদর্শনী
মেলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও স্টাফ সদস্যরা নিজস্ব স্টল স্থাপন করেন, যেখানে বাঙালির ঐতিহ্যবাহী খাবার, হস্তশিল্প এবং লোকজ সংস্কৃতির নানা উপকরণ প্রদর্শিত হয়। এসব আয়োজনের মধ্য দিয়ে ফুটে ওঠে বাঙালি সংস্কৃতির বৈচিত্র্য, সৌন্দর্য ও ঐতিহ্যের সমৃদ্ধ ধারাবাহিকতা। মেলাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম বৃহৎ ও জাঁকজমকপূর্ণ সফল সাংস্কৃতিক আয়োজন হিসেবে সবার মাঝে বিশেষভাবে সমাদৃত হয়েছে।
ক্লাব প্রেসিডেন্টের বক্তব্য
ক্লাবের প্রেসিডেন্ট খালিদ বিন মোর্শেদ রামিম বলেন, 'বৈশাখী মেলা এমন একটি আয়োজন, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব স্তরের মানুষকে একত্রিত করে এক অনন্য সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ করে। এই আয়োজনের মাধ্যমে আমরা শুধু উৎসব উদযাপন করিনি, বরং একটি প্রাণবন্ত ও আন্তরিক পরিবেশ সৃষ্টি করতে পেরেছি। যেখানে সবার অংশগ্রহণই ছিল আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। আমরা আশা করি, এই ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতেও বজায় থাকবে এবং আরও বৃহৎ পরিসরে বিকশিত হবে।'
এই বৈশাখী মেলার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব স্তরের মানুষের মধ্যে এক আন্তরিক সংযোগ ও সম্প্রীতির আবহ সৃষ্টি হয়েছে, যা পুরো আয়োজনকে করে তুলেছে আরও প্রাণবন্ত ও অর্থবহ। মেলার সফলতা ভবিষ্যতে আরও বড় আকারে অনুরূপ সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের দিকে উৎসাহিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।



