ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সপ্তম বাংলাদেশ ইকোনমিকস সামিটের উদ্বোধন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থীদের সংগঠন ইকোনমিকস স্টাডি সেন্টারের উদ্যোগে তিন দিনব্যাপী সপ্তম ‘বাংলাদেশ ইকোনমিকস সামিট’ শুরু হয়েছে। এবারের সামিটের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘জনসংখ্যাগত লভ্যাংশের বাইরে: যুব কর্মসংস্থান ও টেকসই প্রবৃদ্ধির জন্য কাঠামোগত সংস্কার’। মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদ চৌধুরী মিলনায়তনে এই সামিটের উদ্বোধনী আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট অতিথিবৃন্দ
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সামিটের উদ্বোধন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশ নেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ–উপাচার্য (প্রশাসন) সায়মা হক বিদিশা, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক তৈয়বুর রহমান এবং ইকোনমিকস স্টাডি সেন্টারের মডারেটর অধ্যাপক সেলিম রায়হান। অনুষ্ঠানে ইকোনমিকস স্টাডি সেন্টারের সভাপতি অনির্বাণ ঘোষ সভাপতিত্ব করেন।
উদ্বোধনী আয়োজনে প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন করেন উপাচার্য এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, সহ–উপাচার্য সায়মা হক বিদিশাসহ অন্যান্য অতিথিরা। এই সামিট আয়োজনে সহযোগিতা করছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি), সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিং (সানেম) এবং ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (বিআইজিডি)।
উপাচার্যের বক্তব্য ও শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান
সামিট আয়োজনের জন্য শিক্ষার্থীদের ধন্যবাদ জানিয়ে উপাচার্য ওবায়দুল ইসলাম বলেন, “শিক্ষার্থীদের গবেষণা জার্নাল প্রকাশ ও একাডেমিক উপস্থাপনা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। কেবল পাঠ্যবইয়ে সীমাবদ্ধ না থেকে এ ধরনের গবেষণাধর্মী ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে আমি শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানাই।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা সমাজ গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে পাওয়া সুযোগ-সুবিধা যথাযথভাবে কাজে লাগিয়ে নিজেদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
সামিটের আলোচ্য বিষয় ও অংশগ্রহণকারী
তিন দিনব্যাপী এই সামিটে নিম্নলিখিত তিনটি প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে:
- এলডিসি উত্তরণ
- শ্রম, শিক্ষা ও উদ্যোক্তা
- জ্বালানি ও পরিবেশবান্ধব কর্মসংস্থান
এসব আলোচনায় অংশ নেবেন সিপিডির জ্যেষ্ঠ ফেলো, বিভিন্ন গবেষণাপ্রতিষ্ঠানের গবেষকসহ দেশের বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও বিশেষজ্ঞরা। সামিটে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীরা অংশ নিচ্ছেন, যা অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।



