হবিগঞ্জের লাখাইয়ে তুচ্ছ বিষয়ে সংঘর্ষে ২৫ জন আহত, পুলিশ নিয়ন্ত্রণে এনেছে পরিস্থিতি
লাখাইয়ে সংঘর্ষে ২৫ জন আহত, পুলিশ নিয়ন্ত্রণে এনেছে

হবিগঞ্জের লাখাইয়ে তুচ্ছ বিষয়ে সংঘর্ষে ২৫ জন আহত

হবিগঞ্জ জেলার লাখাই উপজেলায় একটি তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে কমপক্ষে ২৫ জন আহত হয়েছেন। রবিবার (২৯ মার্চ) দুপুরে উপজেলার মুড়িয়াউক ইউনিয়নের মশাদিয়া গ্রামের ফুটবল মাঠে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্র ও পুলিশের বরাতে জানা গেছে, সংঘর্ষের পর আহতদের উদ্ধার করে লাখাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও হবিগঞ্জ জেলা আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সংঘর্ষের কারণ ও ঘটনার বিবরণ

স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, মশাদিয়া গ্রামের বাসিন্দা সেনু মিয়ার ছেলে সবুজ মিয়ার বন্ধু সাইফুল বেড়াতে আসেন। সাইফুলের সঙ্গে আগে থেকেই একই গ্রামের আব্দুল আওয়াল হাজীর পক্ষের খলিল ও আব্দাল মিয়ার বিরোধ চলছিল। রবিবার দুপুরে গ্রামে আসার পর সাইফুলের সঙ্গে খলিল ও আব্দাল মিয়ার বাগবিতণ্ডা শুরু হয়।

এ সময় বিষয়টি জানতে চাইলে সবুজ মিয়ার সঙ্গে তাদের বাগবিতণ্ডা তীব্র আকার ধারণ করে এবং একপর্যায়ে হাতাহাতিতে রূপ নেয়। সামান্য এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয়পক্ষের লোকজন দ্রুত জড়ো হয়ে ফুটবল মাঠে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সংঘর্ষের সময়কাল ও আহতের সংখ্যা

প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী চলা সংঘর্ষে ইটপাটকেল ও দেশীয় অস্ত্র নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ২৫ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে। সংঘর্ষের সময় স্থানীয় বাসিন্দারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

পুলিশের হস্তক্ষেপ ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ

খবর পেয়ে লাখাই থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশের দ্রুত পদক্ষেপের ফলে সংঘর্ষ বন্ধ হয় এবং এলাকায় শান্তি ফিরে আসে। এ বিষয়ে লাখাই থানার ওসি (তদন্ত) কৃষ্ণ মিত্র জানান, তুচ্ছ বিষয় নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে এবং আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

তিনি আরও উল্লেখ করেন, পুলিশ এখন ঘটনার তদন্ত করছে এবং দায়ী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশের সমন্বিত প্রচেষ্টায় এলাকার নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।