প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান মঙ্গলবার (২৩ জুন) তথ্য অধিদপ্তরের সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সরকারের পরিকল্পনা স্পষ্ট করেছেন। তিনি স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে এই তথ্য দেন।
নির্বাচন শুরু হবে সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে
ডা. জাহেদ উর রহমান জানান, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, চলতি বছরের বর্ষা মৌসুমের পর সেপ্টেম্বর বা অক্টোবর মাস থেকে পর্যায়ক্রমে দেশজুড়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে। আগামী এক বছরের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা, জেলা পরিষদ ও সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।
এক বছরের সময়সীমার ব্যাখ্যা
আগামী একবছরের মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করার পরিকল্পনা নিয়ে কিছু ভুল বোঝাবুঝি রয়েছে উল্লেখ করে ডা. জাহেদ বলেন, “একবছর মানে, যখন নির্বাচন শুরু হবে, তারপর একবছর। কারণ আপনারা জানেন অনেকগুলো স্তর আছে আমাদের স্থানীয় সরকারের এবং এর মধ্যে বিশেষ করে ইউনিয়ন যদি ধরি সংখ্যাটা বিরাট। এই সংখ্যা নির্বাচন করতে শুরু হওয়ার পর থেকে একবছর সময় লাগবে।”
সময়সীমা নির্ধারণ
তিনি আরও বলেন, “তাহলে উনি বলছেন সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মানে বর্ষা যখন শেষ হবে, তার মানে এটা ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে যদি শুরু হয় ২০২৭ সালের সেপ্টেম্বর-অক্টোবর বা ২০২৭ সালের মধ্যে এই নির্বাচনটা শেষ করার চেষ্টা সরকার করবে।”
উল্লেখ্য, বাংলাদেশে স্থানীয় সরকারের পাঁচটি স্তর রয়েছে: ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা, জেলা পরিষদ ও সিটি কর্পোরেশন। ইউনিয়ন পরিষদের সংখ্যা প্রায় ৪,৫০০, পৌরসভা ৩২২টি, উপজেলা ৪৯৫টি, জেলা পরিষদ ৬৪টি এবং সিটি কর্পোরেশন ১২টি। এই বিপুল সংখ্যক প্রতিষ্ঠানে নির্বাচন পরিচালনা করতে সময় লাগবে বলেও জানান উপদেষ্টা।



