স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও সংস্কারে যুগোপযোগী আইনি কাঠামো জরুরি
স্থানীয় সরকার নির্বাচন দ্রুত সম্পন্ন এবং সার্বিক সংস্কার কার্যকর করতে হলে একটি যুগোপযোগী আইনি কাঠামো প্রয়োজন। ২০০৭ সালে ড. শওকত আলীর নেতৃত্বে গঠিত বিশেষ কমিটি এবং বর্তমান ও গত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে ড. তোফায়েল আহমেদের নেতৃত্বে স্থানীয় সরকারব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবিত আইনের খসড়াগুলো পর্যালোচনা করে একটি চূড়ান্ত আইনি কাঠামো তৈরি করা জরুরি। এর তাত্ত্বিক ভিত্তি হবে ‘সাবসিডিয়ারিটি প্রিন্সিপাল’, যার মূলকথা হলো সমস্যা যেখানে, সমাধানের মোক্ষম ও টেকসই সুযোগও সেখানে। অর্থাৎ শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পয়োনিষ্কাশন, পরিবেশ, নিরাপত্তাসহ যেসব সমস্যা জনগণ প্রতিনিয়ত মোকাবিলা করেন, সেগুলোর সমাধান হতে হবে তাদের নির্বাচিত স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিদের নেতৃত্বে।
স্থানীয় সরকারের স্তরবিন্যাস ও সমন্বিত আইন
স্থানীয় সরকারব্যবস্থা সাধারণত দুই ভাগে বিভক্ত—গ্রামীণ ও নগর। ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও জেলা পরিষদ গ্রামীণ স্থানীয় সরকারের অংশ। অন্যদিকে পৌরসভা ও সিটি করপোরেশন নিয়ে গঠিত নগর স্থানীয় সরকার। জাতীয় তথ্য বাতায়নের তথ্য অনুযায়ী দেশে বর্তমানে ৪ হাজার ৫৯৯টি ইউনিয়ন, ৪৯৫টি উপজেলা, ৬৪টি জেলা, ৩৩১টি পৌরসভা এবং ১৩টি সিটি করপোরেশন রয়েছে। ফলে প্রতি জেলায় গড়ে আটটি উপজেলা, প্রতিটি উপজেলায় গড়ে নয়টি ইউনিয়ন এবং প্রতি জেলায় গড়ে পাঁচটি পৌরসভা রয়েছে। স্থানীয় সরকারের বিদ্যমান এই স্তরবিন্যাস অব্যাহত রাখা যেতে পারে।
শওকত আলী কমিটি এবং তোফায়েল আহমেদ কমিশনের সুপারিশ অনুসারে স্থানীয় সরকারব্যবস্থার জন্য দুটি সমন্বিত আইন প্রণয়ন করা প্রয়োজন; একটি পল্লী স্থানীয় সরকারের জন্য, অন্যটি নগর স্থানীয় সরকারের জন্য। পল্লী স্থানীয় সরকারের আইনে তিনটি অংশ থাকবে—জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদ। একইভাবে নগর স্থানীয় সরকারের আইনে পৃথক দুটি অংশ থাকবে—সিটি করপোরেশন ও পৌরসভা।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন ব্যবস্থার কাঠামো
সংবিধানের ৫৯ অনুচ্ছেদ বাস্তবায়নের জন্য সব প্রশাসনিক স্তরে দ্রুত নির্বাচন আয়োজন জরুরি। বিদ্যমান কাঠামো অনুযায়ী নয়টি ওয়ার্ড নিয়ে একটি ইউনিয়ন গঠিত হবে এবং প্রতিটি ওয়ার্ডের জনসংখ্যা হবে তিন থেকে পাঁচ হাজার। অর্থাৎ একটি ইউনিয়নের মোট জনসংখ্যা হবে ২৭ হাজার থেকে ৪৫ হাজারের মধ্যে। প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে একজন সদস্য এবং পুরো ইউনিয়ন থেকে একজন চেয়ারম্যান সরাসরি নির্বাচিত হবেন।
উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সরাসরি নির্বাচিত হওয়ার পাশাপাশি প্রতিটি ইউনিয়ন থেকে দুজন করে সরাসরি নির্বাচিত প্রতিনিধি উপজেলা পরিষদের সদস্য হবেন। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা পদাধিকারবলে উপজেলা পরিষদের সদস্য থাকবেন। ফলে উপজেলা পরিষদের গড় সদস্যসংখ্যা হবে ২৮ জন—১৮ জন নির্বাচিত প্রতিনিধি, ৯ জন পদাধিকারবলে সদস্য এবং একজন চেয়ারম্যান।
প্রতিটি পৌরসভা ওয়ার্ড থেকে একজন কাউন্সিলর এবং পুরো পৌরসভা থেকে একজন মেয়র সরাসরি নির্বাচিত হবেন। ফলে একটি পৌরসভার নির্বাচিত প্রতিনিধির সংখ্যা হবে ১০। তবে ইউনিয়নভুক্ত এলাকাকে পৌরসভায় উন্নীত করার মানদণ্ড আরও কঠোর করা প্রয়োজন। বিদ্যমান আইনের শর্ত পূরণ না করেও যেসব এলাকাকে পৌরসভা ঘোষণা করা হয়েছে, সেগুলো স্থানীয় সরকার কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে বাতিল করা উচিত।
বর্তমানে দেশে ১৩টি সিটি করপোরেশন রয়েছে, ভবিষ্যতে যার সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। প্রতিটি সিটিতে একজন সরাসরি নির্বাচিত মেয়র রয়েছেন। কাউন্সিলরের সংখ্যা ভিন্ন হলেও বিদ্যমান কাঠামো বহাল রাখা যেতে পারে।
বর্তমানে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যরা জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নয়, জেলার নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ভোটে নির্বাচিত হন। কিন্তু সীমিত নির্বাচকমণ্ডলীর কারণে জেলা পরিষদ নির্বাচনে ব্যাপক ভোট কেনাবেচার অভিযোগ রয়েছে, যা পুরো নির্বাচনব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য জেলা পরিষদের নির্বাচকমণ্ডলী উল্লেখযোগ্যভাবে সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন। জেলার পরিসর বড় হওয়ায় চেয়ারম্যান পদে প্রত্যক্ষ নির্বাচন বাস্তবসম্মত নয়। তবে সদস্য পদে সরাসরি নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব। সে ক্ষেত্রে প্রতিটি উপজেলা ও প্রতিটি পৌরসভা থেকে একজন করে জেলা পরিষদের সদস্য সরাসরি নির্বাচিত হতে পারেন। পাশাপাশি উপজেলা ও পৌরসভার চেয়ারম্যানরা পদাধিকারবলে জেলা পরিষদের সদস্য থাকবেন। চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবেন পরোক্ষ ভোটে। জেলার সব নির্বাচিত স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিকে নির্বাচকমণ্ডলীতে অন্তর্ভুক্ত করার পাশাপাশি নতুন সদস্যও যুক্ত করা যেতে পারে। সব ধরনের নির্বাচনের জন্য ব্যয়সীমা নির্ধারণ এবং তা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করাও প্রয়োজন।
স্থানীয় উন্নয়নে সংসদ সদস্যদের ভূমিকা
সংসদ সদস্যদের স্থানীয় উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা বা উপজেলা পরিষদে তাঁদের জন্য অফিসের ব্যবস্থা করা সংবিধানের ৫৯ ও ৬৫ অনুচ্ছেদের পরিপন্থী। এটি কুদরত-ই-এলাহী বনাম বাংলাদেশ [৪৪ ডিএলআর (এডি), ১৯৯২] এবং আনোয়ার হোসেন বনাম বাংলাদেশ [১৬ বিএলটি (এইচডি), ২০০৮] মামলার রায়েরও সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। সংসদ সদস্যদের সাংবিধানিক দায়িত্ব হলো আইন প্রণয়ন, সংসদীয় স্থায়ী কমিটির মাধ্যমে নির্বাহী বিভাগের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা, বাজেট অনুমোদন এবং নীতিনির্ধারণে ভূমিকা রাখা। জাতীয় সংসদই তাঁদের কর্মস্থল এবং সে উদ্দেশ্যে তাঁদের জন্য আবাসনের ব্যবস্থাও রয়েছে। তাই নতুন স্থানীয় সরকার আইনে সংসদ সদস্যদের স্থানীয় উন্নয়ন কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে হবে, যাতে অতীতের মতো ‘এমপিরাজ’ সৃষ্টি না হয়।
ওয়ার্ড সভা ও স্থানীয় পরিকল্পনা
শওকত আলী কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী ইউনিয়ন পরিষদ আইনে ওয়ার্ডের সব ভোটারকে নিয়ে ওয়ার্ড সভার বিধান যুক্ত করা হয়েছে। বছরে দুবার এই সভা হওয়ার কথা। ওয়ার্ড সভার মাধ্যমে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা, স্থানীয় পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং নির্ধারিত মানদণ্ড অনুযায়ী সরকারি স্কিমের উপকারভোগী নির্বাচন করার বিধান রয়েছে। একই সঙ্গে স্থানীয় অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে বাজেট প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার কথাও বলা হয়েছে। যদিও বাস্তবে এসব কার্যকর হয়নি।
জনগণের অংশগ্রহণ বাড়াতে পৌরসভা পর্যায়ে নাগরিক কমিটি গঠন করা যেতে পারে। সিটি করপোরেশনের জোনাল অফিসগুলোকে কার্যকর বিকেন্দ্রীকৃত সেবাকেন্দ্রে পরিণত করতে এবং প্রতিটি জোনে নাগরিক কমিটি গঠন করা প্রয়োজন। সাংবিধানিক নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিটি স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে জনগণের অংশগ্রহণে পাঁচসালা উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা উচিত। এ প্রক্রিয়ায় সমাজের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও স্থানীয় সংগঠনগুলোকে সম্পৃক্ত করে উন্নয়নকে আন্দোলনে পরিণত করা যেতে পারে, যে উদ্যোগ অতীতে বিএনপি সরকার গ্রহণ করেছিল। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) বরাদ্দের ভিত্তিও হবে স্থানীয়ভাবে প্রণীত এসব পরিকল্পনা।
নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দায়বদ্ধতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি
জনপ্রতিনিধিদের প্রাতিষ্ঠানিক দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করতে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম নিয়মিত পরিবীক্ষণ ও পরিদর্শন করা প্রয়োজন। পাশাপাশি আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও অডিট পদ্ধতি শক্তিশালী করতে হবে। নির্বাচিত চেয়ারম্যান বা মেয়র, সদস্য বা কাউন্সিলর এবং স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও সদস্যরা পরিষদের কাছে যৌথভাবে দায়বদ্ধ থাকবেন। এ জন্য প্রতি মাসে পরিষদের সভা আয়োজন এবং স্থায়ী কমিটির সংখ্যা কমিয়ে সেগুলোকে কার্যকর করা প্রয়োজন।
স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বৃদ্ধি অনেকটাই নির্ভর করে জনপ্রতিনিধি এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশিক্ষণের ওপর। এ উদ্দেশ্যে এনআইএলজিকে প্রয়োজনীয় অর্থ ও জনবল দিতে হবে এবং এর স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আধুনিকায়ন এবং গবেষণা কার্যক্রম জোরদার করা প্রয়োজন।
স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের জনবল ও স্বায়ত্তশাসন
সংবিধান অনুযায়ী প্রতিটি প্রশাসনিক একাংশে একটি স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে, যার ওপর স্থানীয় শাসনের দায়িত্ব অর্পিত থাকবে। একই সঙ্গে প্রশাসন ও সরকারি কর্মচারীদের কার্যক্রমও স্থানীয় সরকারের দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত। অর্থাৎ কেন্দ্রে যেমন প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন সরকারের অধীনে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দায়িত্ব পালন করেন, তেমনি স্থানীয় পর্যায়েও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্বাচিত স্থানীয় সরকারের অধীনেই দায়িত্ব পালন করার কথা। সংবিধান নির্ধারিত জনসেবা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন–সম্পর্কিত পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য লাইন মন্ত্রণালয়ের জনবল স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের অধীনে ন্যস্ত করার বিকল্প নেই। এর অংশ হিসেবে পৃথক ‘লোকাল গভর্নমেন্ট সার্ভিস’ চালুর বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত।
কুদরত-ই-এলাহী মামলার রায়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগও স্পষ্টভাবে বলেছেন, স্থানীয় সরকারসংক্রান্ত আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে সংসদ সাংবিধানিক নির্দেশনা উপেক্ষা করতে পারে না। সংবিধান অনুযায়ী স্থানীয় সরকার কেন্দ্রীয় সরকারের সমান্তরাল একটি স্বায়ত্তশাসিত সরকারব্যবস্থা হওয়ার কথা। কিন্তু বাস্তবে এটি আমলাতন্ত্রনির্ভর কেন্দ্রীয় সরকারের একটি বর্ধিত অংশে পরিণত হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকায় স্থানীয় সরকারব্যবস্থা জনগণের কল্যাণে কার্যকরভাবে বিকশিত হতে পারেনি। এই অবস্থার পরিবর্তন জরুরি।
স্থায়ী স্থানীয় সরকার কমিশন
স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, আর্থিক প্রয়োজন নিরূপণ করে সরকারের কাছে সুপারিশ পেশ, অযাচিত রাজনৈতিক ও আমলাতান্ত্রিক হস্তক্ষেপ কমানো এবং নিরপেক্ষ মূল্যায়নের লক্ষ্যে ২০০৭ সালে শওকত আলী কমিশন একটি আইনের খসড়া প্রস্তাব করেছিল। এই কমিশনের অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল বিকেন্দ্রীকরণ, বিশেষ করে আর্থিক বিকেন্দ্রীকরণ নিশ্চিত করা। এ প্রক্রিয়ায় জেলা পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার কথাও বলা হয়েছিল। খসড়াটি অধ্যাদেশ হিসেবে জারি করা হয় এবং পাঁচ বছর মেয়াদি তিন সদস্যের একটি বিধিবদ্ধ স্থায়ী স্থানীয় সরকার কমিশনও গঠিত হয়। তবে সংসদে অধ্যাদেশ অনুমোদন না হওয়ায় কমিশনটি বিলুপ্ত হয়ে যায়। সেটিকে পুনরুজ্জীবিত করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক ব্যবহার না করার জন্য আইন পাস হয়। কিন্তু অধিবেশন শেষ হওয়ার আগেই কয়েকটি দল সিটি করপোরেশন নির্বাচনের জন্য নিজেদের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে। আবার কিছু দল স্থানীয় নির্বাচনে একক প্রার্থী দেওয়ার পথ খুঁজছে। প্রতীক ব্যবহার না করেও যদি দলীয় প্রার্থী ঘোষণা বা একক প্রার্থী দাঁড় করানো হয়, তাহলে আক্ষরিক অর্থে আইন মানা হলেও আইনের অন্তর্নিহিত উদ্দেশ্য ভণ্ডুল হবে। এটি আইনের শাসনের পরিপন্থী। আশা করা যায়, রাজনৈতিক দলগুলো আইন না মানার অতীতের সংস্কৃতিতে ফিরে যাবে না।



