গাজীপুরে অসমাপ্ত বিআরটি প্রকল্পের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও মহাসড়ক অবরোধ
গাজীপুরে বিআরটি প্রকল্পের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও মহাসড়ক অবরোধ

গাজীপুরে অসমাপ্ত বিআরটি প্রকল্পের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ: মানববন্ধন ও মহাসড়ক অবরোধ

অসমাপ্ত বিআরটি (বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট) প্রকল্পের কারণে দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান এবং নিরাপদ সড়ক পারাপারের দাবিতে গাজীপুরের বোর্ড বাজার এলাকায় আজ সোমবার মানববন্ধন ও মহাসড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এই আন্দোলনে অংশ নিয়ে তাদের দাবি তুলে ধরেছেন।

আন্দোলনের সূচনা ও প্রভাব

সকাল ১০টার দিকে গাজীপুর নগরের বোর্ড বাজার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই কর্মসূচি শুরু হয়। মানববন্ধন শেষে আন্দোলনকারীরা অল্প সময়ের জন্য ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করেন, যার ফলে সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয় এবং তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এই ঘটনা এলাকার দৈনন্দিন জীবনযাত্রাকে প্রভাবিত করেছে।

বিক্ষোভকারীদের মূল দাবিসমূহ

বিক্ষোভকারীরা তাদের দাবিসমূহ স্পষ্টভাবে উত্থাপন করেছেন:

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিআরটি প্রকল্পের কাজ সমাপ্ত করা।
  • বোর্ড বাজার এলাকায় নিরাপদ যাতায়াতের জন্য ওভারব্রিজ বা আন্ডারপাস নির্মাণ করা।
  • প্রকল্পের দীর্ঘসূত্রতা ও দুর্ঘটনা রোধে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

স্থানীয় নেতাদের বক্তব্য

কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন গাছা থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন খান। তিনি বলেন, "বিআরটি প্রকল্পের দীর্ঘসূত্রতার কারণে সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। বিশেষ করে বোর্ড বাজার এলাকায় প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ঘটছে, নিরীহ মানুষ প্রাণ হারাচ্ছেন। প্রকল্পের কাজ দ্রুত শেষ করে নিরাপদ পারাপারের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।"

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ুন কবীর, সাবেক দপ্তর সম্পাদক আবদুর রহিম খান (কালা), কৃষক দলের কেন্দ্রীয় নেতা হারুন অর রশিদ খান, বিএনপি নেতা হাজি আবুল কাশেম, ইঞ্জিনিয়ার আজহার খন্দকার, নজরুল ইসলাম মোড়ল প্রমুখ।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

প্রকল্পের পিছিয়ে পড়ার অভিযোগ

বক্তারা অভিযোগ করেন যে, বিগত সরকারের আমলে অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতির কারণে বিআরটি প্রকল্পটি বারবার পিছিয়ে পড়েছে। একাধিকবার মেয়াদ বাড়ানো হলেও কাজ শেষ হয়নি, এবং সরকার পরিবর্তনের পর প্রকল্পটি কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। এই অবস্থা স্থানীয় জনগণের জন্য মারাত্মক সমস্যা সৃষ্টি করেছে।

এই আন্দোলনটি গাজীপুরের উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা ও জনগণের নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগকে প্রতিফলিত করে। স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেছেন যে, কর্তৃপক্ষ তাদের দাবিগুলো গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে দ্রুত সমাধান নিশ্চিত করবে।