পদ্মা সেতুতে ঈদযাত্রায় স্বস্তির ছোঁয়া: দক্ষিণের মানুষ বাড়ি ফিরছেন নির্বিঘ্নে
বৃষ্টিস্নাত স্নিগ্ধ সকালে দক্ষিণ অঞ্চলের দুয়ার পদ্মা সেতু হয়ে স্বস্তিতে বাড়ি ফিরছেন ২১ জেলার মানুষ। বৃহস্পতিবার সরেজমিন দেখা যায়, ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে এবং পদ্মা সেতুর মুন্সীগঞ্জের মাওয়া প্রান্তের টোলপ্লাজায় স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে কিছুটা অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ রয়েছে। তবে কর্তৃপক্ষের যথাযথ ব্যবস্থাপনায় খুব দ্রুত টোল প্রদান করে গন্তব্যে ছুটছে ঘরমুখো মানুষকে নিয়ে যানবাহনগুলো।
যানবাহনের চাপ ও টোল ব্যবস্থাপনা
এক্সপ্রেসওয়েতে দূরপাল্লার গণপরিবহনের পাশাপাশি ব্যক্তিগত ছোট যানবাহনেরও আধিক্য রয়েছে। দুই চাকার ব্যক্তিগত বাহন মোটরসাইকেলে করেও অনেকে গন্তব্যে যাচ্ছেন। পদ্মা সেতুর টোল প্লাজায় বড় যানবাহনের জন্য সাতটি এবং মোটরসাইকেলের জন্য তিনটি আলাদা টোল কাউন্টার চালু থাকায় দ্রুত টোল আদায় সম্পন্ন হচ্ছে। ফলে টোল প্লাজায় যানবাহনের দীর্ঘ সারি ছাড়াই চালকরা সেতু পার হতে পারছেন।
২৪ ঘণ্টায় যান পারাপার ও টোল আদায়ের পরিসংখ্যান
এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় পদ্মা সেতুর দুই প্রান্ত হয়ে ৪১ হাজার ৮শ ৮৫টি যান পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ৪ কোটি ৫৪ লাখ ৫ হাজার ২শ ৫০ টাকা। এই সংখ্যা দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের জন্য পদ্মা সেতুর গুরুত্ব ও জনপ্রিয়তা তুলে ধরে।
কর্তৃপক্ষের নিরবচ্ছিন্ন প্রচেষ্টা
পদ্মা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সাদ নিলয় জানান, দক্ষিণের নির্বিঘ্ন ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে কাজ অব্যাহত রেখেছে সেতু কর্তৃপক্ষ। তিনি উল্লেখ করেন যে, টোল ব্যবস্থাপনা ও যান চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। এই উদ্যোগের ফলে লক্ষ লক্ষ মানুষ দ্রুত ও নিরাপদে তাদের গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন।
সর্বোপরি, পদ্মা সেতু দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের জন্য ঈদযাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো হিসেবে ভূমিকা রাখছে, যা যানবাহনের চাপ সত্ত্বেও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সেবা প্রদান করছে।



