জামায়াত নেতার অভিযোগ: বিএনপির সংবিধান সংশোধন ফ্যাসিবাদ জন্ম দেবে
জামায়াত নেতার অভিযোগ: বিএনপির সংবিধান সংশোধন ফ্যাসিবাদ জন্ম দেবে

জামায়াত নেতার অভিযোগ: বিএনপির সংবিধান সংশোধন ফ্যাসিবাদ জন্ম দেবে

জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ ফরিদপুরে এক দলীয় বৈঠকে বিএনপির সংবিধান সংশোধন প্রক্রিয়াকে তীব্রভাবে সমালোচনা করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, বিএনপি দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়ন ও স্বার্থ রক্ষার জন্য ইচ্ছেমতো সংবিধান সংশোধনের পথ অবলম্বন করছে, যা দেশে নতুন ফ্যাসিবাদের জন্ম দিতে পারে।

ফরিদপুরের বৈঠকে জামায়াত নেতার বক্তব্য

শুক্রবার সকালে ফরিদপুরের পশ্চিম খাবাসপুরের আল-ফালাহ মিলনায়তনে জামায়াতের জেলা অঞ্চলের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, "সংবিধান সংস্কারের জন্য গণভোট হয়েছে, সংশোধনের জন্য নয়। বিরোধী দল সংসদে মুলতবি প্রস্তাব এনে স্পষ্ট করে বলেছে, সংবিধান সংশোধন নয়, সংস্কারই করতে হবে।" তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, জাতীয় সংসদের সীমাবদ্ধতার কারণে সংবিধানের সংশোধনী বিলের মাধ্যমে মৌলিক সংস্কার সম্ভব নয়।

চিপ হুইপের বক্তব্যকে বিকৃত করার অভিযোগ

হামিদুর রহমান আযাদ জাতীয় সংসদের চিপ হুইপের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন যে, তিনি জামায়াতের বক্তব্যকে বিকৃত করে জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন। তিনি বলেন, "চিফ হুইপ রাজধানীতে এক সভায় বলেছেন, জামায়াত সংবিধান ছুড়ে ফেলতে চায়। কিন্তু সংসদের কার্যবিবরণী দেখলে সত্য বোঝা যায়, জামায়াত এমন কোনো বক্তব্য রাখেনি।" তিনি দাবি করেন যে, বিএনপির নেত্রী খালেদা জিয়া ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরই আগে সংবিধান ছুড়ে ফেলার কথা বলেছিলেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সংবিধান সংশোধনের তীব্র সমালোচনা

জামায়াতের এই নেতা আরও বলেন, "এই সংবিধান আওয়ামী লীগের তৈরি সংবিধান, যা কাটাছেঁড়া করে একপেশে তৈরি করা হয়েছে। এর ফলে ফ্যাসিবাদের জন্ম হয়েছে। পঞ্চদশ সংশোধনী বহাল রেখে দেশে গণতন্ত্রের বিকাশ সম্ভব নয়।" তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, জনগণ সংবিধান সংস্কারের পক্ষে গণভোটে রায় দিয়েছেন, যা একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতিফলন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই বৈঠকে জামায়াতের স্থানীয় নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। হামিদুর রহমান আযাদের এই বক্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্কের সূচনা করতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।