ফরিদপুরের ভাঙ্গায় মাইকিং নিয়ে সংঘর্ষে ৪০ জন আহত, দোকানপাট ভাঙচুর
ভাঙ্গায় মাইকিং নিয়ে সংঘর্ষে ৪০ আহত, দোকান ভাঙচুর

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় মাইকিং নিয়ে সংঘর্ষে ৪০ জন আহত, দেড় ঘণ্টাব্যাপী সহিংসতা

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় একটি তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে চার গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রায় ৪০ জন গ্রামবাসী আহত হয়েছেন এবং ১০টি দোকানপাট ভাঙচুরের শিকার হয়েছে। আহতদের স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত ও বিবরণ

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সন্ধ্যা ছয়টার দিকে ভাঙ্গার হামেরদী ইউনিয়নের মুনসুরাবাদ বাজারে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মুনসুরাবাদ, খাপুরা, মাঝিকান্দা ও সিংগারিয়া গ্রামের কয়েকজন যুবক ফুটবল খেলার জন্য মাইকিং শুরু করলে কথা কাটাকাটি থেকে মারামারিতে রূপ নেয়।

প্রাথমিকভাবে মুনসুরাবাদ গ্রামের শওকতের ছেলে রাহাদ ও সাদ্দাম তারেকের সঙ্গে খাপুরা গ্রামের জাহিদ ও আজিমের বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে এ ঘটনা মারাত্মক রূপ নেয় যখন খাপুরা গ্রামের যুবকরা মুনসুরাবাদ বাজারের সেক্রেটারি জিন্নাত মাতবরকে মারধর করে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সংঘর্ষের বিস্তার ও আহতের সংখ্যা

মারধরের খবর ছড়িয়ে পড়লে মুনসুরাবাদ গ্রামের শতশত লোক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে খাপুরা গ্রামের লোকজনকে ধাওয়া দেয়। পরে খাপুরা, মাঝিকান্দা ও সিংগারিয়া—এই তিন গ্রামের লোকজন একত্রিত হয়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পাল্টা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

দেড় ঘণ্টাব্যাপী এ সহিংসতায় চার গ্রামের মোট ৪০ জন বাসিন্দা আহত হন। সংঘর্ষের সময় টর্চলাইট জ্বালিয়ে অস্ত্র ব্যবহার করা হয় বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

পুলিশের হস্তক্ষেপ ও বর্তমান অবস্থা

সংবাদ পেয়ে ভাঙ্গা থানা পুলিশের কয়েকটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ভাঙ্গা থানার এসআই মামুন খান বলেন, "তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে এ এলাকার চার গ্রামের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। প্রায় দেড় ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ চলে। আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করি। বর্তমানে এলাকায় পুলিশ মোতায়ন রয়েছে।"

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পুলিশের দ্রুত হস্তক্ষেপে এলাকার পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ও উত্তেজনা এখনও রয়ে গেছে।