কিউএস র্যাঙ্কিংয়ে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির উল্লেখযোগ্য সাফল্য
কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি বিষয়ভিত্তিক র্যাঙ্কিং ২০২৬-এ নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি (এনএসইউ) একাধিক বিষয়ে সাফল্য অর্জনের মাধ্যমে দেশের উচ্চশিক্ষা অঙ্গনে নিজেদের শক্তিশালী অবস্থান আরও সুদৃঢ় করেছে। এবারের র্যাঙ্কিংয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টি ইকোনমিকস অ্যান্ড ইকোনমেট্রিকস বিষয়ে বিশ্বে ৩০১–৩৫০ ব্যান্ডে স্থান পেয়েছে, যা এই বিষয়ে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ অবস্থান হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
বিভিন্ন বিষয়ে শীর্ষ অবস্থান
বিজনেস অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিষয়ে এনএসইউ ৩৫১–৪০০ ব্যান্ডে এবং ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে ৪০১–৪৫০ ব্যান্ডে স্থান লাভ করেছে। উভয় ক্ষেত্রেই বিশ্ববিদ্যালয়টি দেশের শীর্ষ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে নিজেদের অবস্থান ধরে রেখেছে, যা তার শিক্ষা ও গবেষণার মানকে প্রতিফলিত করে।
এ ছাড়া সোশ্যাল সায়েন্সেস অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে এনএসইউ ৪৫১–৫০০ ব্যান্ডে স্থান পেয়েছে, যার ফলে এই বিষয় শ্রেণিতে এটি বাংলাদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ১ নম্বর অবস্থানে রয়েছে। অন্যদিকে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টি ৫৫১–৬০০ ব্যান্ডে স্থান অর্জন করেছে, যা এই ক্ষেত্রে দেশের অন্যতম শীর্ষ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে এর অবস্থানকে আরও সুসংহত করেছে।
উপাচার্যের প্রতিক্রিয়া
ফলাফল সম্পর্কে এনএসইউ উপাচার্য আবদুল হান্নান চৌধুরী বলেন, ‘এই সাফল্য আমাদের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গবেষক ও প্রশাসনের সম্মিলিত নিষ্ঠা ও পরিশ্রমের প্রতিফলন। নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি শিক্ষা, গবেষণা ও আন্তর্জাতিক মানোন্নয়নে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে, যাতে আমাদের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকেরা বৈশ্বিক পরিসরে নিজেদের সক্ষমতা তুলে ধরতে পারেন।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে ভবিষ্যতেও বৈশ্বিক র্যাঙ্কিংয়ে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই সাফল্য বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষা ও গবেষণার মানকে আন্তর্জাতিক স্তরে তুলে ধরতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
উচ্চশিক্ষা অঙ্গনে প্রভাব
এই র্যাঙ্কিং সাফল্য বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা খাতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এটি দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা ও মানোন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে। নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির এই অর্জন অন্যান্য প্রতিষ্ঠানকেও আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা ও গবেষণায় উৎসাহিত করতে পারে, যা সামগ্রিকভাবে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করবে।



