প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্বাধীনতা দিবসের বাণী: বৈষম্যমুক্ত, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, স্বাধীনতার মৌলিক লক্ষ্য ছিল একটি বৈষম্যমুক্ত, গণতান্ত্রিক, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। তিনি বুধবার মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে প্রদত্ত এক বাণীতে এই কথা বলেন। বৃহস্পতিবার দেশব্যাপী দিবসটি পালিত হবে।
জাতীয় ঐক্য ও দেশপ্রেমের আহ্বান
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার বাণীতে বলেন, "সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে আমাদের একসাথে কাজ করতে হবে এবং দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। আমাদের প্রিয় মাতৃভূমির অগ্রগতি ও উন্নয়নকে আরও ত্বরান্বিত করতে হলে আমাদের হৃদয়ে জাতীয় ঐক্য, পারস্পরিক সহনশীলতা ও দেশপ্রেমের চেতনা ধারণ করতে হবে।"
তিনি ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে দেশের সকল স্তরের জনগণ এবং বিদেশে বসবাসকারী সকল বাংলাদেশিকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
গৌরবময় দিনের স্মরণ
প্রধানমন্ত্রী বলেন, "২৬ মার্চ আমাদের জাতীয় জীবনের একটি গৌরবময় ও ঐতিহাসিক দিন। এই দিনে আমি গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করি জাতির সেরা সন্তানদের, যাদের ত্যাগের বিনিময়ে আমরা একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ অর্জন করেছি।"
তিনি একই সাথে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের, নির্যাতিত মা-বোনদের এবং স্বাধীনতা সংগ্রামে আত্মনিবেদিত সকল ব্যক্তিকে কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন।
শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা
প্রধানমন্ত্রী সকল শহীদের বিদেহী আত্মার চিরশান্তি কামনা করেন। তিনি বলেন, "মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের তাৎপর্য থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে আমাদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে দেশের কল্যাণে আত্মনিবেদিত হতে হবে। একসাথে কাজ করে আমরা একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও মর্যাদাশীল বাংলাদেশ গড়ে তুলব।"
তিনি মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সকল অনুষ্ঠানের সাফল্য কামনা করেন।
দেশ গঠনের প্রত্যয়
প্রধানমন্ত্রীর বাণীতে স্বাধীনতার চেতনাকে ধারণ করে দেশ গঠনে একসাথে কাজ করার গুরুত্বের উপর বিশেষভাবে জোর দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, "স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য অর্জনে আমাদের অবিচল থাকতে হবে এবং জাতীয় ঐক্য বজায় রেখে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।"
তারেক রহমানের এই বাণী দেশের সকল নাগরিককে স্বাধীনতার প্রকৃত চেতনা বুঝতে এবং দেশ গঠনে অংশগ্রহণ করতে উদ্বুদ্ধ করছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।



