শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ আসনের নির্বাচন: আপিলের শেষ তারিখ আজ, ভোট ৯ এপ্রিল
শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ আসনে আপিল শেষ আজ, ভোট ৯ এপ্রিল

শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচন: আপিলের শেষ তারিখ আজ, ভোটগ্রহণ ৯ এপ্রিল

আগামী ৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচন। এই নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে, প্রার্থীরা রিটার্নিং কর্মকর্তার দেওয়া বাছাই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ পাচ্ছেন, যার সময়সীমা শেষ হচ্ছে আজ ১০ মার্চ, মঙ্গলবার। গতকাল সোমবার (৯ মার্চ) নির্বাচন কমিশনের নির্বাচন পরিচালনা শাখার কর্মকর্তারা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

শেরপুর-৩ আসনের প্রার্থী বাছাই ও আপিল প্রক্রিয়া

শেরপুর-৩ আসনে ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের আবুল তালেব মো. সাইফুদ্দিন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. মাসুদুর রহমান, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আমিনুল ইসলাম, বিএনপির মো. মাহমুদুল হক রুবেল এবং বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) মো. মিজানুর রহমান মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। ইতোমধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তা বাছাই কার্যক্রম সম্পন্ন করেছেন, এবং এখন প্রার্থীরা চাইলে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন।

উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় এই আসনের একজন বৈধ প্রার্থী মৃত্যুবরণ করায় নির্বাচন কমিশন ভোট স্থগিত করেছিল। পরবর্তীতে নতুন তফসিল জারি করে উপনির্বাচনের আয়োজন করা হচ্ছে।

বগুড়া-৬ আসনের প্রার্থী বাছাই ও আপিল সুযোগ

অন্যদিকে, বগুড়া-৬ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. আবিদুর রহমান, বিএনপির মো. রেজাউল করিম বাদশা এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির মো. আল আলিম তালুকদার মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। এখানেও রিটার্নিং কর্মকর্তা বাছাই কার্যক্রম শেষ করেছেন, এবং প্রার্থীরা আপিলের জন্য আজ পর্যন্ত সময় পাবেন।

এই আসনে গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান জয়ী হয়েছিলেন। তবে, সংসদে একই সঙ্গে দুই আসনের সদস্য থাকার আইন না থাকায় তিনি ঢাকা-১৭ আসনটি ধরে রেখে বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দেন। এরপর নির্বাচন কমিশন আসনটি শূন্য ঘোষণা করে নতুন তফসিল জারি করে।

নির্বাচনী তফসিল ও গুরুত্বপূর্ণ তারিখসমূহ

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, উভয় আসনের জন্য আপিল নিষ্পত্তি হবে ১১ মার্চ। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ নির্ধারিত হয়েছে ১৪ মার্চ, এবং প্রতীক বরাদ্দ করা হবে ১৫ মার্চ। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ৯ এপ্রিল, সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। এই উপনির্বাচনটি রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, এবং নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে প্রস্তুতি গ্রহণ করছে।