নোয়াখালী-১ আসনে জামায়াতের ব্যানার চুরি রোধে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন
নোয়াখালী-১ (চাটখিল ও সোনাইমুড়ী আংশিক) আসনে জামায়াতে ইসলামী একটি ভোটকেন্দ্রের পাশে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করেছে। এই পদক্ষেপটি নেওয়া হয়েছে প্রার্থীর ব্যানার চুরি ও ক্ষয়ক্ষতি রোধের উদ্দেশ্যে। মঙ্গলবার সোনাইমুড়ী উপজেলার দেওটি ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের আমিরাবাদ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের পাশে এই ক্যামেরা লাগানো হয়, যা নির্বাচনী পরিবেশে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
ব্যানার চুরির অভিযোগ ও প্রতিক্রিয়া
জামায়াতের নেতাকর্মীরা জানান, ওই এলাকায় দলীয় প্রার্থী মো. ছাইফ উল্যাহর বেশ কয়েকটি ব্যানার চুরি হয়েছে। তারা এই বিষয়ে প্রশাসনের কাছে একাধিকবার অভিযোগ করলেও কোনো সমাধান পাননি। ফলে, মঙ্গলবার নতুন ব্যানার স্থাপনের পাশাপাশি সিসি ক্যামেরাও বসানো হয়েছে, যাতে ব্যানারে সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখা যায় এবং ভবিষ্যতে অনুরূপ ঘটনা প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়।
জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. ছাইফ উল্লাহ বলেন, 'ব্যানার চুরি ও ছিঁড়ে ফেলার বিষয়ে প্রশাসনের কাছে একাধিকবার অভিযোগ করা হয়েছে। কিন্তু সেটি বন্ধ হয়নি। তাই বাধ্য হয়েই ব্যানারের ওপর সিসি ক্যামেরা বসিয়েছি।' তার মতে, এই পদক্ষেপ নির্বাচনী প্রচারণার সময় ন্যায্যতা বজায় রাখতে সহায়ক হবে।
প্রশাসনের বক্তব্য
সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সোনাইমুড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাছরিন আকতার বলেন, নির্বাচনি ব্যানার ছিঁড়ে ফেলাসহ যত ধরনের আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তার কাছে এসেছে, তিনি তাৎক্ষণিক সেগুলোর বিষয়ে ব্যবস্থা নিয়েছেন। তবে, আমিরাবাদ কেন্দ্রের সামনে ব্যানারে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের বিষয়টি তার জানা নেই বলে উল্লেখ করেন। তিনি আরও বলেন, নির্বাচনী পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখতে সকল পক্ষের সহযোগিতা প্রয়োজন।
এই ঘটনা নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় প্রযুক্তির ব্যবহার এবং নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জগুলিকে উল্লেখযোগ্যভাবে তুলে ধরেছে। স্থানীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির সম্ভাবনা থাকলেও, জামায়াতের এই পদক্ষেপ নির্বাচনী আইন ও নিয়মের অধীনে পরিচালিত হচ্ছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
