পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের দৃঢ় ঘোষণা: বাংলাদেশ কারও অধীনে নয়, নিজের পথে চলবে
বাংলাদেশ কারও অধীনে নয়, নিজের পথে চলবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃঢ় বক্তব্য: বাংলাদেশের স্বাধীন সিদ্ধান্ত ও সার্বভৌমত্বের প্রতিশ্রুতি

পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান স্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা করেছেন যে বাংলাদেশ আর কারও কথার অধীনে থাকবে না এবং দেশটি তার নিজের ইচ্ছায় চলবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির সবচেয়ে বড় প্রতিশ্রুতি এটিই। তারেক রহমান পরিষ্কারভাবে বলেছেন, সবার সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক হবে সমান ও স্বাধীন।

যুক্তরাজ্যে বিএনপির ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্য

পূর্ব লন্ডনের অট্রিয়াম হলে সোমবার (৯ মার্চ) যুক্তরাজ্য বিএনপি আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এ কথা বলেন। তিনি ফ্যাসিবাদী আমলের কথা উল্লেখ করে বলেন, সে সময় পররাষ্ট্রনীতি অন্য একটি দেশের কাছে বন্ধক দেওয়া হয়েছিল এবং পররাষ্ট্রনীতিতে বাংলাদেশের কোনো ইনপুট ছিল না।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, পররাষ্ট্রনীতিতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, ভৌগোলিক অখণ্ডতা, বাংলাদেশের স্বার্থ ও মর্যাদা—এগুলো সবচেয়ে বড় নীতি। তিনি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সময়কে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির সোনালি সময় হিসেবে বর্ণনা করেন। খলিলুর রহমান বলেন, ‘সেই সময়ে আমি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জয়েন করেছিলাম। সেটা ছিল আমাদের পররাষ্ট্রনীতির সোনালি সময়। আমরা সেই জায়গাতে ফিরে যাচ্ছি।’

মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগ

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতায় চার বাংলাদেশি নাগরিক নিহত হওয়ার ঘটনাও পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন। এটি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা দেশের নাগরিকদের নিরাপত্তা ও স্বার্থ রক্ষায় অগ্রাধিকার দেয়।

ইফতার মাহফিলের অন্যান্য বক্তারা

যুক্তরাজ্য বিএনপির আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে ও সদস্যসচিব খসরুজ্জামান খসরুর পরিচালনায় এই ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন ইউরোপের সমন্বয়ক কামাল আহমেদসহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা। তাদের বক্তব্যগুলো বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও পররাষ্ট্রনৈতিক দিকগুলোকে আরও শক্তিশালী করে তুলেছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই ঘোষণা বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও স্বাধীনতার প্রতি দেশের অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করে। এটি একটি স্পষ্ট বার্তা যে বাংলাদেশ তার নিজের সিদ্ধান্ত নেবে এবং বিশ্বের সাথে সমান ভিত্তিতে সম্পর্ক বজায় রাখবে।