মুন্সিগঞ্জে মাথাবিহীন লাশ মামলার রহস্য উদঘাটন পিবিআইয়ের
মুন্সিগঞ্জে মাথাবিহীন লাশ মামলার রহস্য উদঘাটন

মুন্সিগঞ্জ সদরে ২০১৭ সালের ৩ নভেম্বর এক তরুণের মাথাবিহীন লাশ উদ্ধারের ছয় মাস পর পিবিআই চাঞ্চল্যকর রহস্য উদ্‌ঘাটন করে। নিহত তরুণের পকেটে নাটোরের একটি মামলার কাগজ পাওয়া যায়। পিবিআইয়ের তদন্তে বেরিয়ে আসে, মুন্সিগঞ্জের শফি কাজী জমি দখল নিয়ে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে এই ভয়ংকর পরিকল্পনা করেন। তিনি অবৈধভাবে ভারত থেকে দেশে এসে ভুয়া মামলা করেন, তরুণকে হত্যা করে সেই মামলার কাগজ পকেটে রেখে আবার ভারতে ফিরে যান।

ঘটনার বিবরণ

২০১৭ সালের ৩ নভেম্বর মুন্সিগঞ্জ সদরে একটি মাথাবিহীন লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। লাশের পকেটে নাটোরের একটি মামলার কাগজ পাওয়া যায়। ঘটনার পর ছয় মাস ধরে তদন্ত চালায় পিবিআই। তদন্তে জানা যায়, নিহত তরুণের নাম মো. জাহিদ হাসান। তিনি মুন্সিগঞ্জের বাসিন্দা ছিলেন।

পরিকল্পনা ও হত্যা

পিবিআই জানায়, শফি কাজী নামে এক ব্যক্তি জমি দখল নিয়ে বিরোধে জড়িত ছিলেন। তিনি প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে পরিকল্পনা করেন। অবৈধভাবে ভারত থেকে দেশে এসে ভুয়া মামলা দায়ের করেন। পরে তরুণকে হত্যা করে তার পকেটে মামলার কাগজ রেখে আবার ভারতে পালিয়ে যান।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

তদন্তের সাফল্য

পিবিআইয়ের তদন্তে এই চাঞ্চল্যকর রহস্য উদঘাটন হয়। শফি কাজীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ