বেসরকারি সময় টেলিভিশনের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আহমেদ জোবায়েরের বিরুদ্ধে বিভিন্ন তথ্য–প্রমাণ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনের কাছে আসছে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, পর্যাপ্ত তথ্য–প্রমাণ পাওয়া গেলে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আহমেদ জোবায়েরকে আসামি করা হতে পারে।
ব্রিফিংয়ে যা বলেছেন চিফ প্রসিকিউটর
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের নিজ কার্যালয়ে আজ সোমবার দুপুরে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে চিফ প্রসিকিউটর এ কথা বলেন। রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় অন্য আসামিদের সঙ্গে গ্রেপ্তার আছেন দুজন সাংবাদিক। তাঁরা হলেন একাত্তর মিডিয়া লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোজাম্মেল হক বাবু এবং সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।
আহমেদ জোবায়েরের সংশ্লিষ্টতা খতিয়ে দেখা হচ্ছে
আজকের ব্রিফিংয়ে চিফ প্রসিকিউটরকে একজন সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, আপনি বলেছেন কে কোন পেশায় সেটা দেখার বিষয় না। গণমাধ্যমকর্মী কয়েকজন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় এসেছেন। আরও কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মী আসতে পারেন—এ রকম আভাস সাংবাদিকেরা পেয়েছেন, আপনিও বলেছিলেন। এই প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে সময় টেলিভিশনের সাবেক এমডি আহমেদ জোবায়েরের প্রসঙ্গ টানেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। সম্প্রতি গ্রেপ্তার হয়েছেন আহমেদ জোবায়ের।
ব্রিফিংয়ে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ইতিমধ্যে আহমেদ জোবায়ের গ্রেপ্তার হয়েছেন। হেফাজতে ইসলামের মামলায় তাঁর সংশ্লিষ্টতা আছে কি না, সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যদি তাঁর সংশ্লিষ্টতা থাকে, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধেও ট্রাইব্যুনালে প্রয়োজনীয় আইনি কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে। হেফাজত ছাড়াও আহমেদ জোবায়ের আরও কোনো কিছুতে জড়িত আছেন কি না, সেটাও বিচার–বিশ্লেষণ করে দেখা হচ্ছে।
পর্যাপ্ত প্রমাণ পেলে আইনি ব্যবস্থা
আমিনুল ইসলাম বলেন, আহমেদ জোবায়েরের বিরুদ্ধে বিভিন্ন তথ্য–প্রমাণ তাঁদের কাছে আসছে। তাঁরা সেটি যাচাই–বাছাই না করে এখনই কোনো আইনগত ব্যবস্থায় যাচ্ছেন না। তবে তাঁরা যদি সাফিসিয়েন্ট এভিডেন্স বা সাফিসিয়েন্ট কানেকশন (পর্যাপ্ত তথ্য–প্রমাণ ও সংশ্লিষ্টতা) থাকে, তাহলে তাঁকে (আহমেদ জোবায়ের) ট্রাইব্যুনালে আনা হবে।



