দুর্নীতিমুক্ত পরিবেশ গঠন একটি কঠিন চ্যালেঞ্জ: বিএনপি নেতা এ্যানি
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, দুর্নীতিমুক্ত একটি পরিবেশ ও পরিস্থিতি তৈরি করা বর্তমান সময়ের অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জ। তিনি শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে লক্ষ্মীপুর প্রেস ক্লাব আয়োজিত একটি সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন।
দায়িত্ব পালনে সতর্কতা ও আমানতের কথা
এ্যানি তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, কোনো রাজনৈতিক বা দলীয় প্রভাবের কারণে সাধারণ মানুষের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, "আমার ওপর ন্যস্ত দায়িত্ব একটি আমানত। এই কঠিন দায়িত্ব পালনে আমি সতর্ক আছি।" তার মতে, দুর্নীতিমুক্ত পরিবেশ গঠন একটি বড় চ্যালেঞ্জ, যা মোকাবিলায় সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।
তারেক রহমানের ভূমিকা ও বিরোধী দলকে আহ্বান
বক্তব্যে এ্যানি মন্ত্রী পরিষদের দুটি সভায় তারেক রহমানের বক্তব্য শোনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। তিনি বলেন, তারেক রহমান একজন বড় পাহারাদার হিসেবে দেশের জন্য কাজ করবেন বলে মনে হয়েছে। প্রথম দিন থেকেই তিনি প্রতিটি মন্ত্রণালয়, মন্ত্রী ও বিভাগের ব্যাপারে সক্রিয় রয়েছেন।
বিরোধী দলকে উদ্দেশ্য করে এ্যানি বলেন, ভোট হওয়ার দিন থেকেই যদি বলা হয় যে ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং বা ম্যানেজ ইলেকশন হয়েছে, তা আহত করে। তিনি পরামর্শ দেন, "এই ধরনের বক্তব্য না দিয়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া একটি দৃষ্টান্ত হতে পারে।"
সমাবেশের অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ
লক্ষ্মীপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি আ হ ম মোশতাকুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সাঈদুল ইসলাম পাবেলের সঞ্চালনায় এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন:
- লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি ও কমলনগর) আসনের সংসদ সদস্য এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান
- জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাহাবুদ্দিন সাবু
- যুগ্ম আহ্বায়ক হাছিবুর রহমান
- জেলা জামায়াতের আমির এসইউএম রুহুল আমিন ভূঁইয়া
- লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ননী গোপাল ঘোষ
- জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ বেলায়েত হোসেন
- লক্ষ্মীপুর সরকারি মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ জেডএম ফারুকী
- লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মাইন উদ্দিন পাঠান প্রমুখ
এই সমাবেশে শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানির বক্তব্য দুর্নীতিমুক্ত পরিবেশ গঠনের গুরুত্ব ও রাজনৈতিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে, যা লক্ষ্মীপুরের স্থানীয় নেতৃত্ব ও সুধী সমাজের উপস্থিতিতে আলোচিত হয়।
