১৮ নিহতের পর প্যাট্রিয়ট চাইলেন জেলেনস্কি
১৮ নিহতের পর প্যাট্রিয়ট চাইলেন জেলেনস্কি

ইউক্রেনজুড়ে রাশিয়ার ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় অন্তত ১৮ জন নিহত এবং কয়েক ডজন মানুষ আহত হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র চেয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।

জেলেনস্কির জরুরি আবেদন

মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জেলেনস্কি লিখেছেন, এটি একটি বড় ধরনের হামলা এবং রাশিয়ার সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ঘোষণা। ইউক্রেনকে যদি ব্যালিস্টিক ও অন্যান্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলা থেকে সুরক্ষা দেওয়া না হয়, তাহলে এসব হামলা চলতেই থাকবে। ইউরোপের নিজস্ব অ্যান্টি-ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রয়োজন। আর প্যাট্রিয়টের মতো ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা অবশ্যই দরকার।

হামলার বিবরণ

ইউক্রেনের বিমানবাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, রাতভর দেশটিতে ৭৩টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ৬৫৬টি ড্রোন ছুড়েছে রাশিয়া। এর মধ্যে আটটি ছিল দ্রুতগতির জিরকন ক্ষেপণাস্ত্র। প্রধান লক্ষ্য ছিল রাজধানী কিয়েভ, মধ্যাঞ্চলের ডিনিপ্রো ও জাপোরিজ্জিয়া এবং পূর্বাঞ্চলের পোলতাভা ও খারকিভ।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

প্যাট্রিয়টের মজুত ফুরিয়ে আসছে

জেলেনস্কি দীর্ঘদিন ধরেই বলে আসছেন, যুক্তরাষ্ট্র সরবরাহ করা প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত ফুরিয়ে আসছে। শত্রুদের দ্রুতগতির ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকাতে এটিই ইউক্রেনের একমাত্র কার্যকর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। মঙ্গলবারের হামলায় ইউক্রেন প্রায় অর্ধেক ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করলেও ৩০টির বেশি ক্ষেপণাস্ত্র বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ট্রাম্প প্রশাসনের নীরবতা

গত সপ্তাহে জেলেনস্কি সরাসরি হোয়াইট হাউস ও কংগ্রেসের কাছে সহায়তা চেয়ে চিঠি পাঠান। তিনি প্যাট্রিয়টকে মানুষের জীবন রক্ষার জন্য অত্যাবশ্যকীয় একটি উপকরণ বলে বর্ণনা করেন। তবে এখন পর্যন্ত ট্রাম্প প্রশাসন তার এ অনুরোধে সাড়া দেয়নি। ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল ও ইরান যুদ্ধের সময় শত শত ব্যয়বহুল প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিল।

ইউক্রেনের পাল্টা হামলা

ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহা বলেন, সর্বশেষ হামলা প্রমাণ করে ভ্লাদিমির পুতিনের বিকল্প ফুরিয়ে আসছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইউক্রেন দূরপাল্লার ড্রোন ব্যবহার করে রাশিয়ার তেল শোধনাগার, বন্দর ও অধিকৃত দক্ষিণ ইউক্রেন ও ক্রিমিয়ার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ স্থলপথে হামলা চালিয়েছে।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান