নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ডাকসু ভবনে মৌন মানববন্ধন ও ছয় দফা দাবি
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ডাকসু ভবনে মৌন মানববন্ধন

ঈদের ছুটির মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ভবনের সামনে মৌন মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। কর্মসূচি থেকে সংগঠনটির পক্ষ থেকে ছয় দফা দাবি উত্থাপন করা হয়।

কর্মসূচির বিবরণ

সোমবার (১ জুন) সকাল ৮টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু ভবনের সামনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধন শেষে ছয় দফা দাবি সংবলিত একটি লিখিত বক্তব্য প্রচার করা হয়।

প্রধান উপদেষ্টার বিরুদ্ধে অভিযোগ

লিখিত বক্তব্যে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ এনে তার ফাঁসির দাবি জানানো হয়। সংগঠনটির দাবি, প্রধান উপদেষ্টা ‘হামের টিকার অর্থ আত্মসাৎ’ করেছেন এবং শিশু মৃত্যুর ঘটনার সঙ্গে জড়িত।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ছয় দফা দাবি

সংগঠনটির উত্থাপিত ছয় দফা দাবির মধ্যে রয়েছে— সারাদেশে সংগঠনটির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে দেওয়া বহিষ্কারাদেশ ও মামলা প্রত্যাহার, গ্রেফতার হওয়া কর্মীদের নিঃশর্ত মুক্তি এবং নতুন করে ‘শো অন অ্যারেস্ট’ দেখানো বন্ধ করা।

এ ছাড়া নারী ও শিশু হত্যা, ধর্ষণ, মাদ্রাসায় শিশু নির্যাতন এবং অনলাইনে নারী হয়রানির সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে অবৈধ প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে দলীয় নিয়োগ বন্ধ, শিক্ষক লাঞ্ছনার ঘটনার বিচার এবং শিক্ষকদের সামাজিক মর্যাদা পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিও তুলে ধরা হয়।

অংশগ্রহণকারীগণ

এ মৌন মানববন্ধনে অংশ নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের উপ-আন্তর্জাতিক সম্পাদক শেখ মোহাম্মদ নাঈম, মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক শিবলী সাদিক এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক রাজিব জামান।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এ ছাড়া বিজয় একাত্তর হল শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মুহিবুল ইসলাম, কবি জসিম উদ্দীন হল শাখার উপ-দফতর সম্পাদক সাব্বির হোসাইন খোকা এবং স্যার এ এফ রহমান হল শাখার উপ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক ইমরান হোসাইনসহ নিষিদ্ধ সংগঠনটির কয়েকজন নেতাকর্মী এতে উপস্থিত ছিলেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিক্রিয়া

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মো. ইসরাফিল রতন গণমাধ্যমকে বলেন, “এ ধরনের ঘটনা যেকোনো সময় হঠাৎ করেই ঘটতে পারে, এমনকি কয়েক সেকেন্ডের জন্যও হতে পারে। বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি।”

তিনি আরও বলেন, “কারা এ কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছে, তা শনাক্ত করতে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হচ্ছে। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর বিস্তারিত জানানো হবে।”