ছাত্রাবাস থেকে শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার: দুইজন গ্রেপ্তার, কারাগারে প্রেরণ
ছাত্রাবাস থেকে লাশ উদ্ধার: দুইজন গ্রেপ্তার, কারাগারে

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে ফরিদ আহমেদ ভূঁইয়া একাডেমি নামের একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রাবাস থেকে শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধারের ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল রোববার দিবাগত রাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আজ সোমবার দুপুরে তাঁদের কারাগারে পাঠান আদালত।

গ্রেপ্তারকৃতদের পরিচয়

গ্রেপ্তার দুজনের একজন বিদ্যালয়টির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ। তাঁর নাম শরীফুল ইসলাম (৪৮)। তিনি পঞ্চগড় জেলার বোদা উপজেলার ইসলামবাগ গ্রামের মৃত গোলাম কিবরিয়ার ছেলে। আরেকজন একই প্রতিষ্ঠানের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. সাজিদুল ইসলাম মজুমদার (১৯)। তিনি রামগঞ্জ উপজেলার ভাটরা ইউনিয়নের দক্ষিণ ভাটরা গ্রামের মাসুদুল ইসলাম মজুমদারের ছেলে।

ঘটনার বিবরণ

এর আগে ১৬ জুন ফরিদ আহমেদ ভূঁইয়া একাডেমির ছাত্রাবাস থেকে মেহেদী হাসান (১৪) নামের এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। সে উপজেলার ইছাপুর ইউনিয়নের রাঘবপুর গ্রামের জিয়া উদ্দিনের ছেলে। ঘটনার পর থেকেই পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, মুঠোফোন চুরির অপবাদ দিয়ে মেহেদীর ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হয়েছে। এর জেরে মেহেদী হাসানের মৃত্যু হয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মামলা ও গ্রেপ্তার

এ ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার নিহত শিক্ষার্থীর বাবা জিয়া উদ্দিন বাদী হয়ে রামগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় আটজনের নাম উল্লেখসহ আরও ১০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়। মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, মুঠোফোন চুরির অভিযোগ তুলে একাডেমির কয়েকজন শিক্ষার্থী মেহেদীকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে। পরে অসুস্থ হয়ে তার মৃত্যু হয়। ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসেবে উপস্থাপন করতে ঝুলিয়ে রাখা হয়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

জানতে চাইলে রামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, 'ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল দিবাগত রাত দেড়টার দিকে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালাচ্ছে।'