গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি) ২৪ ঘণ্টায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ৩০ নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে। আজ সোমবার দুপুরে বাসন থানায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। গতকাল রোববার সকাল ৮টা থেকে আজ সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত মহানগরের বিভিন্ন থানা এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়।
গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। আজ বিকেলে জিএমপির পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে সদর থানার আটজন, বাসন থানার ছয়জন, কোনাবাড়ী থানার দুজন, কাশিমপুর থানার তিনজন, গাছা থানার পাঁচজন, পূবাইল থানার দুজন, টঙ্গী পূর্ব থানার দুজন ও টঙ্গী পশ্চিম থানার দুজন রয়েছেন।
ঘটনার বিবরণ
জিএমপি জানায়, বাসন থানার মোগরখাল এলাকার কলম্বিয়া গার্মেন্টসের সামনে ময়মনসিংহ-ঢাকা মহাসড়কে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, সরকারি কাজে বাধা প্রদান ও পুলিশকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর আগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গতকাল সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে ওই স্থানে বিক্ষোভ মিছিল করেন যুবলীগের নেতা-কর্মীরা। বিক্ষোভ মিছিলের কাছে পুলিশকে দেখে হুমকি দেওয়ার একটি ভিডিও সকাল থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে নেতা-কর্মীদের বলতে শোনা যায়, ‘ওই, একটাও সামনে আসবি না। একটাও সামনে আসবি না। মাইরা ফালামু, মাইরা ফালামু। একটাও সামনে আসবি না।’
পুলিশের বক্তব্য
জিএমপির মিডিয়ার দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিদর্শক জালাল উদ্দিন মাহমুদ বলেন, ‘গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। মহানগরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’



