জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিচালনার জন্য ১৫ সদস্যের একটি নতুন কমিটি ঘোষণা করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। 'জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর আইন, ২০২৬'-এর ক্ষমতাবলে এই পর্ষদ (কমিটি) পুনর্গঠন করা হয়েছে।
কমিটির গঠন ও দায়িত্ব
পুনর্গঠিত কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। পদাধিকারবলে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের মহাপরিচালক এই পর্ষদের সদস্যসচিবের দায়িত্ব পালন করবেন। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধি হবেন বলে জানা গেছে।
জাদুঘর উদ্বোধনের প্রস্তুতি
আগামী ৫ আগস্ট জাদুঘরটি উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছে। এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের কাজ শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে। জাদুঘরটি দেশের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ এই অভ্যুত্থানের ঘটনাবলি ও শহীদদের স্মৃতি ধারণ করবে।
আইনগত ভিত্তি
সরকার 'জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর আইন, ২০২৬' প্রণয়ন করে জাদুঘরটির পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনার জন্য একটি আইনগত কাঠামো তৈরি করেছে। এই আইনের অধীনেই নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এই কমিটি জাদুঘরের সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনার দায়িত্ব পালন করবে।
গুরুত্ব ও প্রত্যাশা
জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর দেশের ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এই জাদুঘর ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে অভ্যুত্থানের সত্য ইতিহাস তুলে ধরবে বলে আশা করা হচ্ছে। নতুন কমিটির মাধ্যমে জাদুঘরের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে সরকার আশাবাদী।



