বাংলাদেশে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে চালু হলো ৫জি মোবাইল নেটওয়ার্ক। ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এই সেবার উদ্বোধন করেন। তিনি বলেন, ৫জি প্রযুক্তি দেশের ডিজিটাল রূপান্তরে নতুন মাত্রা যোগ করবে।
প্রথম ধাপে সীমিত এলাকায় সেবা
প্রথম ধাপে ঢাকার গুলশান, বনানী ও বারিধারা এলাকায় ৫জি সেবা চালু হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে সারা দেশে এই সেবা সম্প্রসারিত হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী। বর্তমানে গ্রামীণফোন ও বাংলালিংক এই সেবা দিচ্ছে।
অনুষ্ঠানে টেলিযোগাযোগ সচিব মো. খলিলুর রহমান বলেন, '৫জি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ডেটা স্পিড হবে ১০ গুণ বেশি, যা শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও ব্যবসায় বিপ্লব ঘটাবে।'
৫জি সেবার সুবিধা
৫জি প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা অতি দ্রুতগতির ইন্টারনেট, কম লেটেন্সি ও উন্নত কানেক্টিভিটি পাবেন। এটি স্মার্ট সিটি, স্বায়ত্তশাসিত যানবাহন ও আইওটি ডিভাইসের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, '৫জি চালুর মাধ্যমে আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন পূরণের আরও এক ধাপ এগিয়ে গেলাম।' তিনি আশা প্রকাশ করেন, ২০২৫ সালের মধ্যে দেশের ৮০ শতাংশ এলাকা ৫জি আওতায় আসবে।
গ্রাহকদের জন্য প্যাকেজ
গ্রামীণফোন ও বাংলালিংক ইতিমধ্যে ৫জি ডেটা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। প্রাথমিকভাবে প্যাকেজগুলোর দাম ৩৯৯ টাকা থেকে শুরু হবে। তবে ভোক্তারা পুরোনো ৪জি সিম দিয়েও ৫জি সেবা নিতে পারবেন, যদি তাদের ডিভাইস ৫জি সাপোর্ট করে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৫জি চালু হলেও গ্রাহকদের জন্য প্রকৃত সুবিধা পেতে আরও কিছু সময় লাগতে পারে। কারণ পর্যাপ্ত নেটওয়ার্ক কভারেজ ও সাশ্রয়ী ডিভাইসের প্রয়োজন রয়েছে।



