সিরাজগঞ্জ ও মাগুরায় বাস ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলায় শুক্রবার রাতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন উপজেলার ভাঙ্গাবাড়ী ইউনিয়নের বাসিন্দা সোহেল রানা (২২) ও একই এলাকার রুবেল হোসেন (২৪)। তারা বন্ধু ছিলেন এবং একই মোটরসাইকেলে করে কোথাও যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে বেলকুচি-এনায়েতপুর সড়কের বটতলা এলাকায় একটি যাত্রীবাহী বাস তাদের মোটরসাইকেলকে চাপা দেয়। ঘটনাস্থলেই সোহেল ও রুবেল মারা যান।
মাগুরায় পৃথক দুর্ঘটনায় নিহত ২
একই দিন মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় আরও দুইজন নিহত হয়েছেন। উপজেলার বাবুখালী ইউনিয়নের বাসিন্দা মো. শাহিন মোল্যা (৩৫) ও বালিদিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা মো. জামাল হোসেন (৪৫) নিহত হন। শাহিন মোল্যা পায়ে হেঁটে রাস্তা পার হওয়ার সময় একটি বাস তাকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। অপরদিকে জামাল হোসেন মোটরসাইকেল চালিয়ে যাওয়ার সময় একটি বাসের সাথে সংঘর্ষে নিহত হন।
স্থানীয়দের বক্তব্য
স্থানীয়রা জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনা ক্রমশ বেড়েই চলেছে। তারা দ্রুত সড়কে ট্রাফিক ব্যবস্থা জোরদার ও সচেতনতা বৃদ্ধির দাবি জানান। বেলকুচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, "ঘটনার পর বাসটি আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে আইনি প্রক্রিয়া চলছে।" মহম্মদপুর থানার ওসি মো. মাহবুবুর রহমানও একই ধরনের মন্তব্য করেন।
দুর্ঘটনার কারণ ও পরিসংখ্যান
সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে চালকদের বেপরোয়া গতি, ট্রাফিক আইন অমান্য ও সড়কের ত্রুটিকে চিহ্নিত করা হয়। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে সারা দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রায় ৫ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতে কঠোর আইন প্রয়োগ ও জনসচেতনতা বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই।



