প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, আওয়ামী লীগের কোনো নেতা অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত বা মামলার আসামি হলে তাকে আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হবে। তবে বিচারের মুখোমুখি হয়েই যে নির্বাচন করা যাবে না, বিষয়টি সে রকম নয়। আইন অনুযায়ী নির্ধারিত যোগ্যতা ও শর্ত পূরণ করতে পারলে যে কেউ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন।
সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে বক্তব্য
মঙ্গলবার (২৩ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদফতরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয়ভাবে অনুষ্ঠিত হয় না। বিএনপি, জামায়াত বা আওয়ামী লীগ—কোনো দলই দলীয় প্রতীকে এ নির্বাচনে অংশ নেয় না। কোনো রাজনৈতিক দলের নেতা নির্বাচনে অংশ নিলেও তাকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হয়।
স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণ
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের কোনো সাবেক বা বর্তমান নেতা যদি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নেন, তাহলে তিনি ব্যক্তি হিসেবে অংশ নেবেন। দলীয় পরিচয় বা দলীয় কর্মসূচি সামনে এনে প্রচারণা চালাতে পারবেন না। একই নিয়ম অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতাদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। সেক্ষেত্রে যিনি বিএনপি করেন তিনিও দলকে সামনে এনে স্থানীয় নির্বাচন করতে পারবেন না।
আইনে স্পষ্ট বিধান
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থিতার যোগ্যতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবেন, সে বিষয়ে আইনে স্পষ্ট বিধান রয়েছে। আইন অনুযায়ী যাদের কোনো অযোগ্যতা নেই, তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
ডা. জাহেদ আরও বলেন, অতীতে কিছু স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয়ভাবে অনুষ্ঠিত হলেও বর্তমানে সেই ব্যবস্থা পরিবর্তন করা হয়েছে। ফলে দলীয় পরিচয়ের বাইরে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেই নির্বাচন করার সুযোগ রয়েছে। তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন যেহেতু নির্দলীয় নির্বাচন, তাই এটি মূলত কোনো রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণের প্রশ্ন নয়; বরং ব্যক্তির আইনগত যোগ্যতার বিষয়।



