ঝিনাইদহে পাঁচ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা, যাবজ্জীবন সাজা
ঝিনাইদহে পাঁচ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা, যাবজ্জীবন

ঝিনাইদহের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সালেহুজ্জামান সোমবার পাঁচ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে আবু তাহেরকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। একইসঙ্গে মরদেহ গোপন করার অপরাধে তাকে সাত বছরের কারাদণ্ড ও পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

ঘটনার বিবরণ

আবু তাহের ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার ফরাসপুর গ্রামের শফি উদ্দিনের ছেলে। গত ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি প্রতিবেশী পাঁচ বছরের এক শিশুকে চিপস ও জুস খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে নিজ বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন তিনি। পরে মরদেহ স্থানীয় একটি স্কুলের সেপটিক ট্যাঙ্কে ফেলে দেন।

আইনি প্রক্রিয়া

পরদিন মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার পর রাতেই কুষ্টিয়া থেকে আবু তাহেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। গত ২৬ মে পুলিশ তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। মামলায় ১৭ জন সাক্ষী তাদের সাক্ষ্য দেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আদালতের রায়

বিচারক সালেহুজ্জামান রায়ে বলেন, আসামি অত্যন্ত নৃশংসভাবে একটি নির্দোষ শিশুর প্রাণ কেড়েছে। ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলো। পাশাপাশি মরদেহ গোপন করার অপরাধে সাত বছরের কারাদণ্ড ও পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করা হলো। জরিমানার টাকা ভুক্তভোগীর আইনি উত্তরাধিকারীদের দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আসামি জরিমানা দিতে ব্যর্থ হলে তার সম্পত্তি নিলাম করে টাকা আদায় করা হবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ