প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রোববার চারদিনব্যাপী জেলা প্রশাসকদের বার্ষিক সম্মেলন উদ্বোধন করেছেন। তিনি সরকারের নীতি ও অগ্রাধিকার নির্ধারণ এবং প্রশাসনকে আরও গতিশীল ও জনবান্ধব করার নির্দেশনা দেন।
ডিসি সম্মেলন-২০২৬ উদ্বোধন
১৩তম সংসদ নির্বাচনে জয়ের পর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবারের মতো ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এই সম্মেলন উদ্বোধন করেন তিনি। সম্মেলনটি ৬ মে শেষ হবে। এতে ডিসিদের জমা দেওয়া বিভিন্ন প্রস্তাব নিয়ে কার্য অধিবেশন ও আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা
উদ্বোধনী অধিবেশনে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী সরকারের নীতি ও অগ্রাধিকার তুলে ধরেন এবং ক্ষেত্র প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।
এর আগে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সচিবালয় থেকে হেঁটে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন। তার অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ তথ্য জানান। রাস্তার দুপাশে দাঁড়িয়ে থাকা লোকজন তাকে অভ্যর্থনা জানায় এবং তিনি হাত নেড়ে সাড়া দেন।
সম্মেলনের বৈশিষ্ট্য
সম্মেলনে মোট ৩৪টি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে, যার মধ্যে ৩০টি কার্য অধিবেশন। এতে ৫৬টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ অংশ নেবে। জেলা প্রশাসকরা শাসনসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে ১,৭২৯টি প্রস্তাব জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে ৪৯৮টি কার্যপত্রে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সর্বোচ্চ ৪৪টি প্রস্তাব এসেছে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ থেকে।
এ বছর আলোচনার মূল বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে ভূমি ব্যবস্থাপনা, আইন-শৃঙ্খলা, স্থানীয় সরকার, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, কর্মসংস্থান, সামাজিক নিরাপত্তা, ই-গভর্নেন্স, শিক্ষা, স্বাস্থ্য সেবা, পরিবেশ সুরক্ষা, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং উন্নয়ন কার্যক্রমের মনিটরিং।
ডিসিরা রাষ্ট্রপতি, স্পিকার এবং প্রধান বিচারপতির সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের সাথে পৃথক কার্য অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে।
সরকারের নীতিনির্ধারক এবং জেলা প্রশাসকদের মধ্যে সরাসরি মিথস্ক্রিয়া এবং প্রয়োজনীয় নীতি নির্দেশনা প্রদানের জন্য প্রতি বছর এই ডিসি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।



