পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি বলেছেন, প্রমাণভিত্তিক নীতি নির্ধারণ এবং দেশের উন্নয়ন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে একটি স্বচ্ছ, নির্ভরযোগ্য ও আধুনিক তথ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে সরকার। সোমবার রাজধানীর এনইসি সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ‘মাইক্রোডাটা অ্যানালাইসিস ল্যাব অব বিবিএস’ শীর্ষক স্টেকহোল্ডার সেনসিটাইজেশন কর্মশালায় তিনি এ কথা বলেন।
স্বচ্ছতা ও তথ্যের সহজলভ্যতা নিশ্চিতের প্রতিশ্রুতি
প্রতিমন্ত্রী সাকি বলেন, “আমরা তথ্য ব্যবস্থাপনায় সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে চাই এবং গবেষণা ও নীতি নির্ধারণের জন্য তথ্য আরও সহজলভ্য করতে চাই।” কোরিয়া আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (কেওআইসিএ) সহায়তায় প্ল্যাটফর্মভিত্তিক পরিসংখ্যান সেবা সক্ষমতা বৃদ্ধি (সিবিএসএসপি) প্রকল্পের আওতায় এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
পরিসংখ্যান ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ
জোনায়েদ সাকি বলেন, সরকার দেশের পরিসংখ্যান ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে পদক্ষেপ নিচ্ছে, যাতে উন্নয়ন পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন ও মূল্যায়ন নির্ভুল ও নির্ভরযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে হয়। তিনি উল্লেখ করেন, অতীতে কিছু তথ্য ও পরিসংখ্যানের নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল।
তথ্য কারসাজির সুযোগ থাকবে না
সেই উদ্বেগ মোকাবিলায় সরকার এমন একটি ব্যবস্থা গড়ে তুলছে যেখানে তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ ও প্রকাশনায় কারসাজির কোনো সুযোগ থাকবে না। “সরকার নিশ্চিত করতে চায় যে জিডিপি, দারিদ্র্য, জনসংখ্যা, অর্থনৈতিক শুমারি ও সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বিশ্বাসযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে,” তিনি বলেন।
গুণগত তথ্যের গুরুত্ব
প্রতিমন্ত্রী বলেন, উন্নয়নের অগ্রগতি পরিমাপ, নীতিগত ফাঁকফোকর চিহ্নিতকরণ এবং প্রয়োজনীয় সংশোধনমূলক পদক্ষেপ নির্ধারণের জন্য গুণগত তথ্য অপরিহার্য। চলমান সংস্কারের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা রক্ষার পাশাপাশি তথ্যের ব্যাপক প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে সরকার তথ্য ব্যবহারের ওপর একটি নীতি প্রণয়ন করছে।



