বাংলাদেশের প্রথম ‘স্মার্ট ভিলেজ’ উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) নেত্রকোণা জেলার কলমাকান্দা উপজেলার বড় খাপড়াপাড়া গ্রামে এই উদ্বোধন করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব মো. শামসুল আরেফিন।
কী কী সুবিধা পাবেন গ্রামবাসী?
এই স্মার্ট ভিলেজে গ্রামবাসী ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা, অনলাইন শিক্ষা, ই-কমার্স ও ডিজিটাল সেবা পাবেন। এখানে একটি ডিজিটাল সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে, যেখানে কম্পিউটার ও ইন্টারনেট সংযোগ রয়েছে। গ্রামবাসী এখান থেকে সরকারি সেবা, ব্যাংকিং সেবা ও বিভিন্ন তথ্য পেতে পারবেন।
প্রকল্পের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য
প্রকল্পটির লক্ষ্য গ্রামীণ এলাকায় ডিজিটাল সেবা পৌঁছে দেওয়া। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব বলেন, “স্মার্ট ভিলেজ প্রকল্পের মাধ্যমে আমরা গ্রামীণ জনগণকে ডিজিটাল সেবার আওতায় আনতে চাই। এতে করে তারা শহরের মতোই সুবিধা পাবে।”
প্রকল্পটির আওতায় দেশের ১০০টি গ্রামকে স্মার্ট ভিলেজ হিসেবে গড়ে তোলা হবে। প্রতিটি গ্রামে ডিজিটাল সেন্টার, ইন্টারনেট সংযোগ ও সৌর বিদ্যুৎ ব্যবস্থা থাকবে।
স্থানীয়দের প্রতিক্রিয়া
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল হাকিম বলেন, “আমাদের গ্রামে এখন ইন্টারনেট এসেছে। আমরা এখন অনলাইনে পড়াশোনা করতে পারব। এটা আমাদের জন্য খুব ভালো হয়েছে।”
অন্য এক বাসিন্দা রহিমা বেগম বলেন, “আমার ছেলে এখন ডিজিটাল সেন্টারে কম্পিউটার শিখছে। আগে তাকে শহরে পাঠাতে হতো। এখন ঘরে বসেই শিখতে পারছে।”
ডিজিটাল বাংলাদেশের অগ্রগতি
স্মার্ট ভিলেজ প্রকল্পটি ডিজিটাল বাংলাদেশের অংশ। ইতোমধ্যে দেশের ৯৯ শতাংশ উপজেলায় ইন্টারনেট সংযোগ পৌঁছে গেছে। সরকারের লক্ষ্য ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলা।



