ইউল্যাব টাইমস হায়ার এডুকেশন সাসটেইনেবিলিটি ইমপ্যাক্ট রেটিংস ২০২৬-এ বাংলাদেশের মধ্যে ১২তম
ইউল্যাব টাইমস হায়ার এডুকেশন সাসটেইনেবিলিটি রেটিংসে ১২তম

টাইমস হায়ার এডুকেশন সাসটেইনেবিলিটি ইমপ্যাক্ট রেটিংস ২০২৬-এ বাংলাদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে অষ্টম এবং সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় মিলিয়ে ১২তম স্থান অর্জন করেছে ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ (ইউল্যাব)। গত বছরের ১০০১–১৫০০ বৈশ্বিক র‌্যাংকিং ব্যান্ড থেকে উন্নীত হয়ে ইউল্যাব ২০২৬ সালে ৮০১–১০০০ বৈশ্বিক র‌্যাংকিং ব্যান্ডে স্থান পেয়েছে।

টেকসই উন্নয়নে অগ্রগতি

প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, টেকসই উন্নয়নভিত্তিক শিক্ষা, গবেষণা এবং সামাজিক সম্পৃক্ততার ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়টির ক্রমবর্ধমান সুনাম ও অঙ্গীকারের স্বীকৃতি হিসেবে এই অর্জনকে দেখা হচ্ছে। গত ২৪ জুন প্রকাশিত এই রেটিংসে বিশ্বের ১১৬টি দেশ ও অঞ্চলের ১ হাজার ৬০৩টি বিশ্ববিদ্যালয় অংশ নেয়। জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবদানের ভিত্তিতে এ মূল্যায়ন করা হয়। এ বছর বাংলাদেশ থেকে মোট ২২টি বিশ্ববিদ্যালয় রেটিংসে স্থান পেয়েছে।

এসডিজি সূচকে সাফল্য

বিভিন্ন এসডিজি সূচকেও উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে ইউল্যাব। এসডিজি ১১ (সাসটেইনেবল সিটিজ অ্যান্ড কমিউনিটিজ)-এ বিশ্ববিদ্যালয়টি বাংলাদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ১ম স্থান অর্জন করেছে এবং বৈশ্বিকভাবে ৪০১–৬০০ ব্যান্ডে অবস্থান করেছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এছাড়া এসডিজি ১৭ (পার্টনারশিপস ফর দ্য গোলস) এবং এসডিজি ৪ (কোয়ালিটি এডুকেশন)-এ ইউল্যাব দেশের মধ্যে ৬ষ্ঠ স্থান অর্জন করেছে। উভয় ক্ষেত্রেই এর বৈশ্বিক অবস্থান ৪০১–৬০০ ব্যান্ডে। এসডিজি ৮ (ডিসেন্ট ওয়ার্ক অ্যান্ড ইকোনমিক গ্রোথ)-এ বিশ্ববিদ্যালয়টি ৭ম স্থান অর্জন করে বৈশ্বিকভাবে ৬০১–৮০০ ব্যান্ডে অবস্থান করেছে।

লিঙ্গসমতা ও দারিদ্র্যবিমোচনে ভূমিকা

এসডিজি ৫ (জেন্ডার ইকুয়ালিটি)-এ ইউল্যাব ৭ম স্থান অর্জন করে বৈশ্বিকভাবে ৮০১–১০০০ ব্যান্ডে এবং এসডিজি ১ (নো পোভার্টি)-এ ১১তম স্থান অর্জন করে বৈশ্বিকভাবে ৬০১–৮০০ ব্যান্ডে অবস্থান করেছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ইউল্যাবের মতে, এই অর্জন টেকসই উন্নয়নের প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়টির দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রতিফলন। শিক্ষা কার্যক্রম, গবেষণা, ক্যাম্পাস পরিচালনা এবং সামাজিক সম্পৃক্ততার বিভিন্ন উদ্যোগে টেকসই উন্নয়নের বিষয়টি সমন্বিতভাবে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।