হিলিতে মাসের ব্যবধানে চালের দাম কেজিতে ১৪ টাকা বেড়েছে
হিলিতে মাসের ব্যবধানে চালের দাম কেজিতে ১৪ টাকা বেড়েছে

দিনাজপুরের হিলিতে ভরা মৌসুমেও চালের দাম ঊর্ধ্বমুখী। এক মাসের ব্যবধানে সব ধরনের চালের দাম কেজিতে ৭ থেকে ১৪ টাকা বেড়েছে। দাম বৃদ্ধির কারণে নিম্নআয়ের মানুষজন চরম বিপাকে পড়েছেন। তারা দাম নিয়ন্ত্রণে বাজার মনিটরিংয়ের দাবি জানিয়েছেন।

চালের দাম কত বেড়েছে?

হিলি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, আমদানিকৃত শম্পাকাটারি জাতের চাল কেজিতে ১৪ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৭৮ থেকে ৮০ টাকা। স্বর্ণা জাতের চাল কেজিতে ৭ টাকা বেড়ে ৫৩ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। দেশীয় মিনিকেট জাতের চাল প্রকারভেদে ৬৪ থেকে ৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, যা আগে ৬০ টাকা ছিল। শম্পাকাটারি চাল আগে ৬৩-৬৫ টাকা দরে বিক্রি হতো, এখন তা ৭৮ টাকা।

বিক্রেতাদের দাবি: মিলার সিন্ডিকেট ও আমদানি বন্ধ

হিলি বাজারের চাল বিক্রেতা সুব্রত কুণ্ডু বলেন, "হাসকিং মিল বন্ধ থাকায় অটোমিলাররা সিন্ডিকেট করে ইচ্ছামতো চালের দাম বাড়াচ্ছেন। তারা কম দামে ধান কিনে মজুত করে রেখে এখন ধানের দাম বাড়ার অজুহাতে চালের দাম বাড়াচ্ছেন।"

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অন্যদিকে, আমদানিকারক মোস্তাফিজুর রহমান জানান, "চাল আমদানি বন্ধের ফলে সরবরাহ কমায় দাম বাড়ছে। আমদানি শুরু হলে দাম কমে আসবে। বর্তমানে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে চাল আমদানি বন্ধ রয়েছে। সরকার অনুমতি দিলে ব্যবসায়ীরা চাল আমদানি করবেন।"

ক্রেতাদের অবস্থান

চাল ক্রেতা ইমরুল কায়েস বলেন, "সরবরাহ কমের অজুহাতে শস্যভাণ্ডার খ্যাত দিনাজপুরের হিলিতে সব ধরনের চালের দাম বেড়েছে। দেশে বোরোর ভরা মৌসুম চলছে, অনেক এলাকায় কৃষকরা ধান কেটে ঘরে তুলছেন। আবহাওয়া ভালো থাকায় ধানের ফলন ভালো হয়েছে, বাজারে নতুন চাল এসেছে। তারপরও চালের দাম কমার পরিবর্তে বাড়ছে।" তিনি দাম নিয়ন্ত্রণে বাজার মনিটরিংয়ের দাবি জানান।

মিলারদের ব্যাখ্যা

মিলার মোস্তাকিম হোসেন জানান, "সরকারকে চাল দিতে অটোমিলাররা মোটা চাল উৎপাদন করায় চিকন চালের সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিয়েছে, ফলে দাম বাড়ছে। চিকন চালের উৎপাদন শুরু হলে দাম কমে আসবে।"

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ