নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম সমুদ্রসম্পদ আহরণ, অফশোর জ্বালানি অনুসন্ধান এবং নৌপথ ব্যবহারে সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের বিস্তৃত সমুদ্রসীমা ও নৌপথ দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অন্যতম ভিত্তি হতে পারে। এ জন্য আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার এবং সংশ্লিষ্ট খাতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন জরুরি।
বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবসের সেমিনারে মন্ত্রীর বক্তব্য
সোমবার (২২ জুন) রাজধানীর খিলখেতে বানৌজায় নৌবাহিনী আয়োজিত বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠিত সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী আরও বলেন, আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ের মাধ্যমে সমুদ্রসীমা নির্ধারণের পরও অতীতে কার্যকর উদ্যোগের অভাবে সমুদ্রের খনিজ ও জ্বালানি সম্পদের সম্ভাবনা কাজে লাগানো যায়নি।
প্রতিবেশী দেশের তুলনায় পিছিয়ে বাংলাদেশ
প্রতিবেশী দেশগুলো নিজ নিজ সমুদ্র এলাকায় অনুসন্ধান ও উত্তোলন কার্যক্রম এগিয়ে নিলেও বাংলাদেশ সে সুযোগ পুরোপুরি ব্যবহার করতে পারেনি। তবে বর্তমান সরকার সমুদ্রভিত্তিক সম্পদ অনুসন্ধান ও উত্তোলনে নতুন করে গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি জানান, দেশের প্রায় ১৬ হাজার কিলোমিটার নৌপথ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে আরও বড় ভূমিকা রাখতে পারে।
নৌপথের নিরাপত্তা ও নেভিগেশন উন্নয়ন
নৌপথের নিরাপদ ব্যবহার, নেভিগেশন উন্নয়ন এবং পরিবহন ব্যয় কমাতে হাইড্রোগ্রাফিক কার্যক্রমকে আরও জোরদার করা হচ্ছে বলে জানান মন্ত্রী। চট্টগ্রাম বন্দরের প্রসঙ্গ টেনে শেখ রবিউল আলম বলেন, দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের সিংহভাগ এই বন্দরকে ঘিরে পরিচালিত হয়। ফলে বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি, নিরাপদ জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করা এবং আন্তর্জাতিক মানের অবকাঠামো গড়ে তোলার উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে।



