চট্টগ্রাম বন্দরে ৩০ হাজার টন জ্বালানি তেল নিয়ে জাহাজ পৌঁছেছে, বিপিসি নিশ্চিত করেছে
চট্টগ্রাম বন্দরে ৩০ হাজার টন জ্বালানি তেল নিয়ে জাহাজ পৌঁছেছে

চট্টগ্রাম বন্দরে নতুন জাহাজে ৩০ হাজার টন জ্বালানি তেল পৌঁছেছে

চট্টগ্রাম বন্দরে বৃহস্পতিবার আরও একটি জাহাজ পৌঁছেছে, যা ১০ হাজার টন ডিজেল এবং ২০ হাজার টন জেট ফুয়েল বহন করছে। এই জ্বালানি তেল চীনের প্রতিষ্ঠান ইউনিপেক চুক্তি অনুযায়ী এমটি গ্রান কুভা নামের জাহাজে সরবরাহ করেছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্রে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে, এবং শুক্রবার (২৭ মার্চ) এই তেল খালাসের কথা রয়েছে।

বিপিসির মজুত ও সরবরাহ পরিস্থিতি

বিপিসির জ্যেষ্ঠ মহাব্যবস্থাপক ইউসুফ হোসেন ভুঁইয়া জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দেশে ২ লাখ টন ডিজেল মজুত আছে। নতুন আসা ১০ হাজার টন ডিজেল এই মজুতের সঙ্গে যুক্ত হবে, যা পরিবহণ ও শিল্প খাতে ব্যবহার করা হবে। অন্যদিকে, জেট ফুয়েল সরবরাহ করা হবে বিমানবন্দরগুলোতে। বিপিসি ডিজেল, পেট্রল, অকটেন, জেট ফুয়েলসহ পাঁচ ক্যাটাগরির জ্বালানি তেল আমদানি ও সরবরাহ করে থাকে।

ইউসুফ হোসেন আরও উল্লেখ করেছেন যে, দেশের ডিপোগুলোতে মজুত তেল এবং পাইপলাইনে থাকা তেল দিয়ে আগামী এপ্রিল পর্যন্ত সামাল দেওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে, তিনি সংকটের কথা সরাসরি স্বীকার করেননি।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ব্যবহারকারীদের অভিযোগ ও বাণিজ্যে প্রভাব

ব্যবহারকারীদের পক্ষ থেকে অভিযোগ উঠেছে যে, চট্টগ্রামে আমদানি পণ্য পরিবহণকারী লাইটার জাহাজ এবং মাছ ধরা ট্রলারে রেশনিং করে ডিজেল সরবরাহ করা হচ্ছে। এছাড়া, পেট্রল পাম্পগুলোতেও চাহিদামত তেল মিলছে না বলে জানানো হয়েছে। এই পরিস্থিতির ফলে স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য ব্যাহত হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা অভিযোগ করেছেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই জ্বালানি সরবরাহ বৃদ্ধি সত্ত্বেও, স্থানীয় পর্যায়ে তেলের ঘাটতি এবং রেশনিং ব্যবস্থা চলমান থাকায় অর্থনৈতিক কার্যক্রমে কিছুটা বাধার সৃষ্টি হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মত দিচ্ছেন। চট্টগ্রাম বন্দরে জ্বালানি তেলের এই নতুন সরবরাহ দেশের শিল্প ও পরিবহণ খাতের চাহিদা পূরণে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে, তবে ব্যবহারকারীদের অভিযোগগুলি সমাধানের জন্য আরও পদক্ষেপ প্রয়োজন হতে পারে।