জরুরি ডিজেল আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা মোকাবিলায় সরকারের পদক্ষেপ
জরুরি ডিজেল আমদানি অনুমোদন, মধ্যপ্রাচ্য অস্থিরতা মোকাবিলায়

জরুরি ডিজেল আমদানির প্রস্তাবে অনুমোদন, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা মোকাবিলায় সরকারের সিদ্ধান্ত

দেশের জরুরি জ্বালানি চাহিদা মেটাতে অর্থনৈতিক বিষয়ক মন্ত্রিসভা কমিটি বৃহস্পতিবার জরুরি ভিত্তিতে ডিজেল আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে স্থিতিশীল রাখতে সহায়ক হবে।

ভার্চুয়াল সভায় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হয় অর্থনৈতিক বিষয়ক মন্ত্রিসভা কমিটির সভা। চলতি অর্থবছরের এই সভায় জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের দুটি প্রস্তাব নীতিগতভাবে অনুমোদন লাভ করে।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষিতে দেশে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করাই এই প্রস্তাবগুলোর প্রধান উদ্দেশ্য। সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা পূরণ ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

কী কী প্রস্তাব অনুমোদন পেল?

সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, জরুরি জ্বালানি চাহিদা মেটাতে আন্তর্জাতিক ক্রয়ের মাধ্যমে সরাসরি প্রকিউরমেন্ট পদ্ধতিতে এপি এনার্জি ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড থেকে ১ লাখ মেট্রিক টন ইএন৫৯০ (১০ পিপিএম) ডিজেল সংগ্রহ করার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এছাড়াও কমিটি সুপারস্টার ইন্টারন্যাশনাল (গ্রুপ) লিমিটেড থেকে আন্তর্জাতিক ক্রয়ের মাধ্যমে সরাসরি প্রকিউরমেন্ট পদ্ধতিতে আরও ২ লাখ মেট্রিক টন ইএন৫৯০ ইউরো-৫ (১০ পিপিএম) ডিজেল সংগ্রহ করার প্রস্তাব অনুমোদন করে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অনুমোদনের পেছনের কারণ

অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির বিবর্তনের মধ্যেও দেশে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে এবং অভ্যন্তরীণ জ্বালানি বাজারের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতেই এই অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা বিশ্বব্যাপী জ্বালানি বাজারে প্রভাব ফেলছে, যা বাংলাদেশের মতো আমদানিনির্ভর দেশগুলোর জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। সরকারের এই সিদ্ধান্ত সময়োপযোগী ও দূরদর্শী বলে মনে করছেন তারা।

সরকারি সূত্রে জানা গেছে, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আগামী দিনগুলোতে আরও কৌশলগত পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও শিল্পখাতের চাহিদা মেটাতে জ্বালানি সরবরাহ অব্যাহত রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে সরকারি মহলে।