মির্জা ফখরুল: জ্বালানি সংকট নেই, কাল্পনিক সংকট সৃষ্টি করছে একটি চক্র
মির্জা ফখরুল: জ্বালানি সংকট নেই, কাল্পনিক সংকট সৃষ্টি করছে চক্র

স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘আমেরিকা-ইরান যুদ্ধে সারাবিশ্বের মতো আমরা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। দেশে বর্তমানে তেলের দাম বেড়ে গেছে। তেমন কোনও জ্বালানি সংকট নেই, তবে একটি চক্র ফায়দা লুটতে কাল্পনিক জ্বালানি সংকট সৃষ্টি করছে।’

শুক্রবার বিকালে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ঘূর্ণিঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পুনর্বাসন; এলজিইডি ও জেলা পরিষদের মাধ্যমে বিভিন্ন সামাজিক এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে ঢেউটিন, চেক ও বরাদ্দপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

বিদ্যুৎ সংকট প্রসঙ্গে

বিদ্যুৎ সংকট প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘বিদ্যুতের সংকট দূর করতে আমরা চেষ্টা করছি। কোনোভাবে কৃষক যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সে লক্ষ্যে কাজ করছি।’

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

তিনি সবাইকে গুজব ও নেতিবাচক কথায় কান না দেওয়ার অনুরোধ করে বলেন, ‘একটা দানবকে পরাজিত ও উচ্ছেদ করতে ঠাকুরগাঁওয়ে ১৩ জনের জীবন গেছে। এরকম সারা দেশে যারা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় আত্মাহুতি দিয়েছেন, আমরা সেসব শহীদদের প্রতি যথার্থ শ্রদ্ধা জানাতে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং উন্নয়নের জয়যাত্রা শুরু করেছি।’

বিকাশের অগ্রগতি

‘আমরা নির্বাচনে আমাদের দেওয়া প্রতিটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে শুরু করেছি। তারই অংশ হিসেবে, এ জেলায় ভুল্লী ও রুহিয়াকে উপজেলায় উন্নীত করা, মেডিক্যাল কলেজ, বিমানবন্দর, রাস্তাঘাট ইপিজেড নির্মাণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আরও কী কী এখানে করা যায় তার সম্ভাব্যতা যাচাই করতে প্রধানমন্ত্রীর শিল্প উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর ঠাকুরগাঁও সফর করেছেন।’

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ঠাকুরগাঁও মির্জা রুহুল আমিন পৌর মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি জেলা সভাপতি মির্জা ফয়সল আমীন, সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খোদাদাদ হোসেন ও এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন বিশ্বাস, সদর ইউএনও খায়রুল ইসলামসহ অনেকে।

এ সময় ৭১০টি পরিবারকে সহায়তা করা হয় টিন ও টাকা। ৫০০ পরিবারকে এক বান্ডিল টিন এবং ৩ হাজার করে টাকা দেওয়া হয়। ৭০টি পরিবারকে এক বান্ডিল করে টিন, ১৪০টি পরিবারকে ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা, ২৯৪টি প্রতিষ্ঠানকে চেক প্রদান করা হয়। সবমিলে সহায়তার পরিমাণ ২০ কোটি টাকা।