আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশের (অ্যামচাম) নতুন সভাপতি হয়েছেন সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল এবং সহ-সভাপতি আলাউদ্দিন আহমেদ। কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব নেন রেজা উর রহমান মাহমুদ।
নতুন কমিটির দায়িত্ব গ্রহণ
রোববার (১৪ জুন) রাজধানীর বনানীর একটি হোটেলে ২০২৬–২০২৮ মেয়াদের নবনির্বাচিত নির্বাহী কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করে।
যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন বলেন, আমেরিকান প্রতিষ্ঠানগুলো শুধু বিনিয়োগই করে না, তারা দক্ষতা, প্রযুক্তি এবং বৈশ্বিক মানের ব্যবসায়িক চর্চা নিয়ে আসে। এসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে এবং একটি দেশের ব্যবসায়িক পরিবেশ গঠনে বাস্তব প্রভাব ফেলে। তিনি ইঙ্গিত দেন, ভবিষ্যতের সম্পর্ক আর একতরফা সুবিধার ওপর নির্ভর করবে না; বরং পারস্পরিক ও ন্যায্য বাণিজ্য কাঠামোর ভিত্তিতে গড়ে উঠবে।
তিনি আরও বলেন, সম্ভাব্য দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি এই নতুন কাঠামো নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এর মাধ্যমে শুধু বাণিজ্যের পরিমাণই বাড়বে না, বরং দুই দেশের অর্থনীতির মধ্যে গভীরতর সংযোগ তৈরি হবে। আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, দুর্নীতি এবং সুরক্ষাবাদের বাধা কাটিয়ে উঠতে পারলে বাংলাদেশ আঞ্চলিক অর্থনীতিতে আরও শক্তিশালী অংশীদার হয়ে উঠতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
নতুন সভাপতির প্রতিশ্রুতি
নতুন সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল বলেন, বর্তমানে প্রায় ২৫০ সদস্য নিয়ে অ্যামচাম দেশের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যবসায়িক প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে। দেশের শীর্ষ অর্থনীতিবিদ, ব্যবসায়ী এবং নীতিনির্ধারকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ এই প্ল্যাটফর্মকে শক্তিশালী করেছে। তিনি বলেন, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, ব্যবসা সম্প্রসারণ এবং নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়ায় সরাসরি সম্পৃক্ততার মাধ্যমে নতুন কমিটি কাজ করবে।
তিনি আরও জানান, নতুন নির্বাহী কমিটির সম্মিলিত অভিজ্ঞতা দুই শতাব্দীর বেশি, যা আগামী দুই বছরে সংগঠনটির কার্যক্রমকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে সহায়তা করবে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশে বিনিয়োগ আনা এবং ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে কার্যকর ভূমিকা রাখার প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।



