বিশ্বকাপে আয় বাড়াতে ফিফার অভিনব উদ্যোগ: ফাইনাল মাঠের ঘাসের টুকরো বিক্রি
বিশ্বকাপে আয় বাড়াতে ফিফার অভিনব উদ্যোগ: মাঠের ঘাসের টুকরো বিক্রি

ফিফার নতুন উদ্যোগ: ফাইনাল মাঠের ঘাস বিক্রি

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের আয় বাড়াতে অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে ফিফা। এবারের আসরে রেকর্ড ৪৮টি দেশ ১০৪টি ম্যাচে অংশ নিচ্ছে, যার আয়োজক যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো। যুক্তরাষ্ট্রে ফাইনালসহ মোট ৭৮টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ১৯ জুলাই নিউইয়র্কের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ফাইনাল ম্যাচটি নির্ধারিত রয়েছে। ফাইনালের সাধারণ টিকিটের সর্বোচ্চ মূল্য ৩২,৯৭০ ডলার, আর হসপিটালিটি টিকিটের দাম সাড়ে ৩২ হাজার থেকে সাড়ে ৩৪ হাজার ডলার পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।

টিকিট বিক্রির পাশাপাশি ফিফা ফাইনাল ভেন্যুর মাঠের ঘাসের টুকরো বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রতিটি টুকরোর মূল্য ৪৫০ ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৫৫ হাজার টাকার বেশি। ফুটবলপ্রেমীরা এই টুকরো কিনে ফাইনাল মাঠের একটি অংশ নিজেদের সংগ্রহে রাখতে পারবেন। তবে প্রতিটি টুকরোর সঠিক মাপ নির্দিষ্ট করে বলা হয়নি; শুধু উল্লেখ করা হয়েছে ১৭.৫/১৭.৫/১৭.৭—কিন্তু একক (ইঞ্চি, সেন্টিমিটার নাকি মিলিমিটার) উল্লেখ নেই।

স্মারক তৈরির প্রক্রিয়া ও সরবরাহ সীমাবদ্ধতা

ফিফার ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, ‘২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের মাঠের একটি খাঁটি টুকরোর মাধ্যমে ফুটবল ইতিহাসের একটি আসল অংশের মালিক হোন। যা একটি উচ্চমানের অ্যাক্রিলিকে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত। সঙ্গে একটি স্মারক রয়েছে। প্রতিটি টুকরোয় থাকবে ফাইনালের মাঠের একটি আসল খণ্ড। যা বিশ্বের অন্যতম সেরা ক্রীড়া আয়োজনকে স্মরণীয় করে রাখার একটি অনন্য সংগ্রহযোগ্য বস্তু।’ স্মারক তৈরির প্রক্রিয়াও ওয়েবসাইটে বিস্তারিত জানানো হয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষ হওয়ার পর মাঠের টুকরো সংগ্রহকারীদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কাজ শুরু হবে। তবে এই স্মারক শুধু আমেরিকা ও ইউরোপের বাসিন্দারাই কিনতে পারবেন; বিশ্বের অন্য কোথাও ফিফা সরবরাহ করবে না। এই সিদ্ধান্ত নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ফুটবলপ্রেমীরা ফিফার কাছে মাপের একক জানতে চাইলেও কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বিতর্ক ও প্রতিক্রিয়া

ফিফার এই উদ্যোগকে অনেকে বাণিজ্যিক কৌশল হিসেবে দেখলেও, সরবরাহ সীমাবদ্ধতা নিয়ে সমালোচনা হচ্ছে। বিশেষ করে বাংলাদেশসহ এশিয়ার ফুটবলপ্রেমীরা এই স্মারক সংগ্রহ করতে পারবেন না, যা বৈষম্যের অভিযোগ তুলেছে। ফিফা এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি।