জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে ধবলধোলাই এড়াল বাংলাদেশ, সিরিজ হার ২-১
জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে ধবলধোলাই এড়াল বাংলাদেশ

শেষ ম্যাচে জিতে ধবলধোলাই এড়িয়েছে বাংলাদেশ। হারারেতে তিন ওয়ানডের সিরিজের শেষ ম্যাচে জিম্বাবুয়েকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে সফরকারীরা। তবে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতেছে জিম্বাবুয়ে।

জিম্বাবুয়ের ব্যাটিং ধস

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই ধাক্কা খায় জিম্বাবুয়ে। শরীফুল ইসলাম ও তাসকিন আহমেদের বোলিংয়ে ২৭ রানের মধ্যেই ৩ উইকেট হারায় স্বাগতিকেরা। ওয়েসলি মাধেভেরে ও সিকান্দার রাজা চতুর্থ উইকেটে ৫১ রানের জুটি গড়ে দলকে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু তানভীর ইসলামের বলে রাজা ক্যাচ তুলে দিলে সেই জুটি ভাঙে।

মাধেভেরে এক প্রান্ত আগলে রেখে ৭৪ বলে ৭৫ রান করেন। শেষ দিকে ব্রাড ইভান্সের ঝোড়ো ৪৩ বলে ৫০ রানের ইনিংসে ভর করে জিম্বাবুয়ে ১৯৯ রানে অলআউট হয়। আগের ম্যাচেও ফিফটি পাওয়া ইভান্স দলের রান দুই শর কাছে নিয়ে যান।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বাংলাদেশের জয়ের পথ

জিম্বাবুয়ের তিন প্রধান পেসার রিচার্ড এনগারাভা, নিউম্যান নিউয়ামুরি ও ব্লেসিং মুজারাবানিকে বিশ্রাম দেওয়া হয়। তাদের অনুপস্থিতিতে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা স্বস্তিতে ছিলেন। দুই ওপেনার সৌম্য সরকার ও তানজিদ হাসান উদ্বোধনী জুটিতে ১৫১ রান যোগ করেন। সৌম্য ৮২ বলে ৬৯ রান করে আউট হন।

তানজিদ হাসান সেঞ্চুরির খুব কাছে পৌঁছে গিয়েছিলেন। ৩৪তম ওভারে ছক্কা মারতে গিয়ে লং অনে ক্যাচ দেন তিনি। দলের রান ১৯৭ থাকতেই একই ওভারে আউট হন তাওহিদ হৃদয়। পরে নুরুল হাসানকে নিয়ে জয়ের আনুষ্ঠানিকতা সারেন নাজমুল হোসেন শান্ত, যিনি ২৮ বলে ১৮ রানে অপরাজিত থাকেন।

সিরিজের সারসংক্ষেপ

প্রথম দুই ম্যাচ হেরে ধবলধোলাইয়ের শঙ্কায় ছিল বাংলাদেশ। ২০০১ সালে জিম্বাবুয়ের কাছে ঘরে-বাইরে ওয়ানডেতে ধবলধোলাই হয়েছিল তারা। এরপর ২৫ বছরে জিম্বাবুয়ে আর বাংলাদেশকে ধবলধোলাই করতে পারেনি। উল্টো বাংলাদেশই তাদের ছয়বার ধবলধোলাই করেছে। শেষ ম্যাচ জিতে সেই তিক্ত স্মৃতি এড়িয়েছে বাংলাদেশ।

১৫ জুলাই থেকে বুলাওয়েতে শুরু হবে তিন ম্যাচের টি-টুয়েন্টি সিরিজ।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ