নিশাঙ্কার সেঞ্চুরিতে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে সুপার এইটে শ্রীলংকা
নিশাঙ্কার সেঞ্চুরিতে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে শ্রীলংকা সুপার এইটে

নিশাঙ্কার সেঞ্চুরিতে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে সুপার এইটে শ্রীলংকা

পাথুম নিশাঙ্কার অনবদ্য সেঞ্চুরিতে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সুপার এইটে চলে গেল শ্রীলংকা ক্রিকেট দল। সোমবার শ্রীলংকার পাল্লেকেল্লে স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ১৮২ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে ১২ বল হাতে রেখেই ৮ উইকেটের দাপুটে জয় পেল লংকানরা। এই জয়ের ফলে সাবেক চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া দল বিদায়ের শঙ্কায় পড়েছে, যা টুর্নামেন্টে একটি বড় অঘটন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

অস্ট্রেলিয়ার উড়ন্ত সূচনা ও পতন

টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে অস্ট্রেলিয়া দল উড়ন্ত সূচনা করে। মাত্র ৮.২ ওভার তথা ৫০ বল খেলে তাদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১০৪ রান, যা দেখে মনে হচ্ছিল তারা দুইশ রানের মাইলফলক ছাড়িয়ে যাবে। ওপেনার ট্রাভিস হেড ৫৬ রান এবং মিচেল মার্শ ২৭ বলে ৫৪ রানের দ্রুত ইনিংস খেলেন, দলকে শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যান।

কিন্তু এরপর দারুণভাবে খেলায় ফেরে শ্রীলংকা। বোলার দাসুন হেমন্ত ৪ ওভারে ৩৭ রানে ৪ উইকেট শিকার করে অস্ট্রেলিয়াকে কোণঠাসা করে দেন। এছাড়া দুশমন্ত চামিরা ৪ ওভারে ৩৬ রানে ২ উইকেট নিয়ে দলের পতন ত্বরান্বিত করেন। ১৫ ওভার শেষে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ছিল ৪ উইকেটে ১৫১ রান, তখনো দুইশ রানের আশা জাগছিল।

শেষ দিকে ব্যাটিং ধস

শেষ দিকে ব্যাটিং তাণ্ডব চালানোর পরিবর্তে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে অস্ট্রেলিয়া দল সংকটে পড়ে। তারা শেষ ৩০ বলে ৬ উইকেট হারিয়ে মাত্র ৩০ রান যোগ করতে পারে, যা তাদের মোট স্কোরকে ১৮১ রানে সীমাবদ্ধ করে। এই ধসের ফলে শ্রীলংকার সামনে তুলনামূলক সহজ টার্গেট এসে দাঁড়ায়, যা তারা সফলভাবে অর্জন করে।

শ্রীলংকার জয় ও প্রভাব

শ্রীলংকার এই জয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এ তাদের অবস্থান শক্তিশালী করে এবং অস্ট্রেলিয়ার জন্য বিদায়ের সম্ভাবনা তৈরি করে। নিশাঙ্কার সেঞ্চুরি দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, যা ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। এই ম্যাচটি প্রমাণ করে যে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে যেকোনো দলই বড় অঘটন ঘটাতে পারে, বিশেষ করে যখন ব্যাটসম্যানরা নিশাঙ্কার মতো পারফরম্যান্স প্রদর্শন করেন।