চট্টগ্রাম বন্ধুসভার প্রীতি ফুটবলে রোমাঞ্চকর জয় ফাহিম একাদশের
চট্টগ্রাম বন্ধুসভার প্রীতি ফুটবলে ফাহিম একাদশের জয়

চট্টগ্রাম বন্ধুসভার প্রীতি ফুটবলে উত্তেজনাপূর্ণ লড়াই

শীতের কনকনে হাওয়া উপেক্ষা করে চট্টগ্রামের বাকলিয়ার জিআর স্পোর্টস অ্যারেনায় উত্তাপ ছড়িয়েছে বন্ধুত্বের ফুটবল ম্যাচ। ৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম বন্ধুসভার প্রীতি ফুটবল ম্যাচে ফাহিম একাদশ ৬-৪ গোলে জয়ী হয়েছে। ম্যাচটি ছিল টান টান উত্তেজনা ও রোমাঞ্চে ভরা, যেখানে শেষ মুহূর্তে গোলের বন্যা দেখা দেয়।

ম্যাচের শুরুতেই দাপট ফাহিম একাদশের

ম্যাচ শুরু হতেই আধিপত্য দেখায় ফাহিম একাদশ। প্রথম ২০ মিনিটের মধ্যেই দলপতি ফাহিম উদ্দিনের দুটি গোল এবং মহসীন শিকদারের একটি গোলে তারা ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। এই দ্রুত সাফল্য দর্শকদের মধ্যে উল্লাসের সৃষ্টি করে এবং মাঠ গরম হয়ে ওঠে।

শিহাব একাদশের জোরালো প্রত্যাবর্তন

তবে শিহাব একাদশ হাল ছাড়েনি। শান্ত বড়ুয়ার গোলে প্রথম ব্যবধান কমিয়ে তারা আশার আলো দেখায়। এরপর ইব্রাহিম তানভীরের গোলে স্কোর দাঁড়ায় ৩-২। এই উত্তেজনাপূর্ণ ব্যবধান নিয়ে বিরতিতে যায় দুই দল। বিরতি শেষে শান্ত বড়ুয়া আবারও গোল করে দলকে ৩-৩ সমতায় ফেরান, যা ম্যাচের গতিপথ বদলে দেয়।

শেষ মুহূর্তের গোল বন্যা ও মহসীন শিকদারের হ্যাটট্রিক

ম্যাচের শেষ পর্যায়ে যখন ড্রয়ের সম্ভাবনা দেখা দিচ্ছিল, তখনই মহসীন শিকদার আলোচনায় আসেন। তিনি খেলার শেষ মিনিটগুলোতে পরপর দুটি গোল করে নিজের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন এবং ফাহিম একাদশকে ৬-৪ গোলে জয় এনে দেন। এই অবিস্মরণীয় পারফরম্যান্স ম্যাচের চূড়ান্ত ফলাফল নির্ধারণ করে দেয়।

বন্ধুত্বের জয় ও ভবিষ্যতের প্রত্যাশা

খেলা শেষে চট্টগ্রাম বন্ধুসভার উপদেষ্টা ফাহিম উদ্দিন বলেন, "এমন উত্তেজনাকর ও আনন্দময় আয়োজনের ধারা আমরা অব্যাহত রাখতে চাই।" অন্য উপদেষ্টা শিহাব জিশানও একই সুরে কথা বলেন। সাধারণ সম্পাদক ইরফাতুর রহমান যোগ করেন, "হার-জিত যা–ই হোক, দিন শেষে জয় বন্ধুত্বের হয়েছে। আমরা ভ্রাতৃত্ব ও সংহতি বাড়াতে নিয়মিত এ ধরনের আয়োজন করব।"

ম্যাচের অন্যান্য দিক

এই ম্যাচের সমন্বয়কের দায়িত্বে ছিলেন সাধারণ সম্পাদক ইরফাতুর রহমান এবং মুক্তিযুদ্ধ ও গবেষণা সম্পাদক আফিফ ইব্রাহীম। মাঠে দুই দলের হয়ে অংশ নেন:

  • সহসভাপতি ইব্রাহিম তানভীর
  • প্রচার সম্পাদক সাকিব জিশান
  • পরিবেশ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক শান্ত বড়ুয়া
  • বন্ধু আতৃহার রহমান

চট্টগ্রাম বন্ধুসভার এই আয়োজন শুধু খেলার মাঠেই নয়, বরং বন্ধুত্বের বন্ধনকে আরও মজবুত করেছে, যা সংগঠনের লক্ষ্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।