টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে সেঞ্চুরি করার মধ্য দিয়ে বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন রুয়ান্ডার ব্যাটসম্যান হামজা খান। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আফ্রিকা সাব রিজিওনাল যোগ্যতা অর্জন পর্বের ম্যাচে আইভোরি কোস্টের বিপক্ষে ১৬৪ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন তিনি। এই ইনিংসটি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের মর্যাদা পেয়েছে।
১৬৪ রানের ঝড়ো ইনিংস
মাত্র ৬৫ বলের মোকাবিলায় ১৬৪ রানের অপরাজিত ইনিংস সাজান হামজা। তার ব্যাট থেকে আসে ৯টি চার এবং ১৫টি বিশাল ছক্কা। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডটি এখনও অস্ট্রেলিয়ার অ্যারন ফিঞ্চের দখলে, যিনি ২০১৮ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১৭২ রান করেছিলেন। ফিঞ্চের সেই রেকর্ডের পরেই এখন অবস্থান করছেন হামজা।
পেছনে ফেলে দিলেন জাজাইকে
এই অসাধারণ ইনিংসের মাধ্যমে রুয়ান্ডার এই ওপেনার টপকে গেছেন আফগানিস্তানের হজরতুল্লাহ জাজাইকে। জাজাই ২০১৯ সালে আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে ১৬২ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছিলেন। এখন তৃতীয় স্থানে নেমে গেছেন তিনি। চতুর্থ স্থানে থাকা স্পেনের মোহাম্মদ ইহসান ২০২৫ সালে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ১৬০ রানের ইনিংস খেলেছিলেন। পঞ্চম স্থানে আবারও ফিঞ্চের নাম, যিনি ২০১৩ সালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ১৫৬ রান করেছিলেন।
ছক্কার রেকর্ডেও হামজা
শুধু রানের রেকর্ডই নয়, ১৫টি ছক্কা মেরে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের এক ইনিংসে সবচেয়ে বেশি ছক্কা মারার তালিকায় চতুর্থ স্থানে উঠে এসেছেন হামজা। তার এই কীর্তি তাকে বিশ্ব ক্রিকেটে বিশেষ পরিচিতি এনে দিয়েছে।
ম্যাচের বর্ণনা
রোববার অনুষ্ঠিত ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে রুয়ান্ডা ২ উইকেটে ২৮৮ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়ে। হামজা ছাড়াও দিদিয়ের এনডিকুবিমানা ৪৫ বলে ৬৯ রান করেন। এছাড়া ইসায়ে নিয়োমুগাবো ১২ বলে ২৬ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে দলের স্কোরকে আরও উঁচুতে নিয়ে যান। জবাবে আইভোরি কোস্টের ব্যাটিং লাইনআপ দাঁড়াতেই পারেনি। তারা মাত্র ১৫.২ ওভারে ১৭ রানে অলআউট হয়ে যায়। আইভোরি কোস্টের পক্ষে সর্বোচ্চ রান আসে ১০ নম্বরে ব্যাট করতে নামা ওয়াটারা উসিফের ব্যাট থেকে, যিনি মাত্র ৫ রান করেন। দলের চার ব্যাটার শূন্য রানে আউট হন, তিন জন মাত্র ১ রান এবং দুই জন ২ রান করে আউট হন।



