রাজধানীর প্রবেশ পথে অবস্থিত বিখ্যাত ‘গাবতলী পশুর হাট’ আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে গরু বেচাকেনার জন্য প্রস্তুত হচ্ছে। এটি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের স্থায়ী গরুর হাট হিসেবেও পরিচিত।
ইজারা ও প্রস্তুতি
এবার এই হাটের ইজারা পেয়েছেন হানিফ এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. হানিফ। তিনি ১৫ কোটি ৫১ লাখ টাকায় ইজারা নিয়েছেন। বুধবার সরেজমিন গাবতলী পশুর হাটে গিয়ে দেখা যায়, ঈদকে সামনে রেখে হাট আয়োজনের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। পিকআপভর্তি বালু ও বাঁশ হাটে ঢুকছে। অনেক জায়গায় বালু ফেলা হচ্ছে এবং বাঁশ ব্যবহার করে অস্থায়ী ছাউনি তৈরি করছেন ইজারাদারের লোকজন। ইট ও পাথরসহ বিভিন্ন নির্মাণসামগ্রীর দোকান সরিয়ে সেখানে পশু রাখার শেড নির্মাণ করা হচ্ছে।
আবুল মিয়া নামে এক নির্মাণ শ্রমিক বলেন, এখনও গাবতলী হাটের প্রস্তুতির কাজ পুরোপরি শুরু হয়নি। ২-৩ দিনের মধ্যে কাজ পুরোদমে শুরু হবে।
মিরপুরের অস্থায়ী হাট
এদিকে মিরপুর ৬ নম্বর সেকশনের (ইস্টার্ন হাউজিংয়ের) খালি জায়গায় অস্থায়ী হাটের জন্য সর্বোচ্চ ১ কোটি ৭৯ লাখ টাকা দর প্রস্তাব পাওয়া গেছে। এ প্রস্তাব দিয়েছেন ইসলাম এন্টারপ্রাইজের মালিক সিরাজুল ইসলাম। মিরপুরের কালশী বালুর মাঠের (১৬ বিঘা) খালি জায়গায় হাটের জন্য সরকার নির্ধারিত দর ছিল ৩০ লাখ টাকা। সবচেয়ে বেশি দর দিয়ে ইজারা নিয়েছেন রেদওয়ান রহমান নামে এক ঠিকাদার। তিনি ৩০ লাখ ১১ হাজার টাকা দিয়ে হাটটি ইজারা নিয়েছেন।
কালশী গরুর হাট পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব ও বিএনপি নেতা আনোয়ার হোসেন বলেন, ইতোমধ্যে আমরা হাট প্রস্তুতির কাজ শুরু করেছি। অপেক্ষাকৃত নিচু জায়গায় বালু ফেলে ভরাট করা হচ্ছে। অনেক জায়গায় বাঁশের খুঁটি দিয়ে ছাউনি করা হয়েছে। হাটে ৪টি প্রবেশ পথ রয়েছে। পশু ধারণক্ষমতা রয়েছে প্রায় ৬ হাজার। এ বছর কালশী গরুর হাট হবে মিরপুরের সবচেয়ে বড় হাট।



