ভালোবাসা দিবসে নতুন জীবন শুরু করলেন দীপু হাজরা
নাট্যপরিচালক দীপু হাজরা জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করেছেন ভালোবাসা দিবসেই। আজ শনিবার দুপুরে ঢাকার কারওয়ান বাজারের একটি রেস্টুরেন্টে ছোট পরিসরে সম্পন্ন হয়েছে তাঁর বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা। পারিবারিক আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে কনে হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাথী আক্তার।
কনে সাথী আক্তারের পরিচয়
সাথী আক্তার বর্তমানে ঢাকা সিটি কলেজের ইংরেজি (স্নাতক) বিভাগের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী। তাঁর পড়াশোনা ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আগ্রহ রয়েছে অনেকের মধ্যে। দীপু হাজরার সঙ্গে তাঁর পরিচয় ঘটেছিল তিন বছর আগে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে।
প্রেমের গল্প ও বিয়ের সিদ্ধান্ত
ফেসবুকে পরিচয়ের পর ধীরে ধীরে দীপু ও সাথীর আলাপ গড়ায় বন্ধুত্বে, এবং পরবর্তীতে সেই বন্ধুত্ব রূপ নেয় গভীর ভালোবাসায়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাদের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হলে, দুজন একসঙ্গে সিদ্ধান্ত নেন যে বিয়েটা হবে ভালোবাসা দিবসেই। এই পরিকল্পনা অনুযায়ী আজ দুপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পন্ন হলো তাঁদের বিয়ে, যা একটি বিশেষ দিনকে আরও স্মরণীয় করে তুলেছে।
দীপু হাজরার প্রতিক্রিয়া ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
নববধূকে নিয়ে দীপু হাজরা বলেন, 'আমাদের বোঝাপড়া খুব ভালো। সাথী ভীষণ কেয়ারিং। আমার বিশ্বাস, স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কে যদি ছাড় দেওয়ার মনোভাব না থাকে, তাহলে সে সম্পর্ক বেশি দূর এগোয় না।' বিশেষ দিন হওয়া সত্ত্বেও বড় আয়োজন করতে না পারায় খানিকটা আক্ষেপ রয়েছে নির্মাতার কণ্ঠে। তিনি জানান, সময় ও পরিস্থিতির কারণে ঘরোয়া আয়োজনে বিয়ে সম্পন্ন করতে হয়েছে। তবে ভবিষ্যতে সময়-সুযোগ বুঝে একটি বড় অনুষ্ঠান করার পরিকল্পনাও আছে তাঁদের, যা তাদের সম্পর্ককে আরও উজ্জ্বল করবে বলে আশা করা যায়।
এই বিয়ের মাধ্যমে দীপু হাজরা ও সাথী আক্তার একটি নতুন যাত্রা শুরু করেছেন, যা তাদের ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ভালোবাসা দিবসের এই বিশেষ মুহূর্তটি তাদের জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকবে, এবং এটি অন্যান্য দম্পতিদের জন্যও অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করতে পারে।
