আকাশ গুরুগম্ভীর, ঘন কালো মেঘ ডাকে, উল্লাসে ঝরে পড়ে বৃষ্টির কণা ধরণির বুকে। ঝুম ঝুম শব্দে নামল এখনই গগনভেদী, আষাঢ় মাসের বরিষণে আজি নির্মল প্রকৃতি। অগণিত বৃষ্টির ফোঁটা নামে টিনের চালে, ছন্দে ছন্দে গানের সুরে নৃত্যের তালে তালে।
কদম ফুলের শিহরণ ও পাখির অপেক্ষা
শিহরি ওঠে কদম ফুল বৃষ্টির ছোঁয়া পেয়ে, অনুরাগে মিষ্টি সুগন্ধ বাতাসে ছড়িয়ে দিয়ে। পাখিরা বারান্দার রেলিংয়ে এসে দাঁড়ায়, ইতিউতি চেয়ে ভেজা ডানা দুটো ঝাপটায়। সব জল ঝেড়ে ফেলে পালক শুকিয়ে নিতে, বসে থাকে বৃষ্টি শেষে সূর্যকিরণের অপেক্ষাতে।
প্রকৃতির ধোয়া ও শান্তির প্রলেপ
নারকেলগাছের পাতাগুলো সবুজছোঁয়া, বৃষ্টির জলে হলো প্রকৃতির সবকিছু ধোয়া। শান্তির প্রলেপ এনে দেয় শীতল সমীরণ, স্নিগ্ধ সুষমায় পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে জনজীবন। গ্রীষ্মের দাবদাহে যখন চারিদিক ঝলসে ওঠে, সঞ্জীবনী সুধা নিয়ে বর্ষা আসে হাটে মাঠে ঘাটে।
বর্ষার গানে হৃদয় জুড়ানো
দেখে দেখে বর্ষার বরিষণ জুড়িয়ে যায় প্রাণ, সুখের আমেজে হৃদয়ে বাজে গুনগুন বর্ষার গান। নাগরিক সংবাদে জীবনের গল্প, নানা আয়োজনের খবর, ভিডিও, ছবি ও লেখা পাঠাতে পারবেন পাঠকেরা। ই-মেইল: [email protected]



