দীর্ঘদিন পর ছোটপর্দার দর্শকদের দীর্ঘ পারিবারিক গল্পের বুননে মাতালেন কোন নির্মাতা। ‘এটা আমাদেরই গল্প’-মোস্তফা কামাল রাজের তেমনই এক নির্মাণ। যখন পারিবারিক গল্পের অভাবে সমসাময়িক কনটেন্টগুলো সমালোচিত, মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছিলেন এক শ্রেণির দর্শক তখন এমন গল্পে জড়ালেন তাদের, ৫০তম পর্বে এসে চোখ লাল করে কাঁদতে বাধ্য হলেন দর্শক।
একক নাটক ‘বড় ছেলে’র পর এমন করে অনেকদিন কাঁদেনি দর্শক
এমনটাও বলছেন কেউ কেউ। বলছেন ‘বড় ছেলে’র অভিনেতা অপূর্বও। ৫২ তম পর্বেই শেষ হচ্ছে ‘এটা আমাদেরই গল্প’। ৫০তম পর্ব সৃষ্টি করলো মাইলফলক। একদিন না পেরুতেই কোটি মানুষের প্রাণ ছুঁয়ে গেল নাটকটি। নির্মাতা হিসেবে কেমন অনুভূতি মোস্তফা কামাল রাজের? জানতে চেয়েছে বাংলাট্রিবিউন।
দর্শক কাঁদছে, আপনার প্রতিক্রিয়া কি?
সত্যি বলতে, এটা আমার জন্য সবচেয়ে বড় পাওয়া। যখন দেখি দর্শক গল্পটার সঙ্গে এমনভাবে যুক্ত হয়ে যাচ্ছে যে তারা হাসছে, কাঁদছে, তখন মনে হয় আমাদের পরিশ্রম সার্থক। এই কান্নাটা আসলে ভালোবাসারই প্রকাশ।
তুমুল জনপ্রিয়তা পেল আপনার এ সিরিজটা, কি ম্যাজিক ছিল বলে মনে করেন?
আমি এটাকে ম্যাজিক বলবো না, বরং সত্যি গল্প বলার চেষ্টা। আমরা কোনো বাড়াবাড়ি করিনি, জীবনের কাছাকাছি থেকেছি। মানুষের নিজের গল্প, নিজের পরিবার, ওটাই হয়তো দর্শককে টেনেছে।
পারিবারিক গল্পের নাটক কম হচ্ছে বলেই কি দর্শক এমন করে নাটকটাকে আপন করে নিল?
হতে পারে। আমরা আসলে এমন কিছু দেখাতে চেয়েছি যেটা মানুষ প্রতিদিন দেখে, ফিল করে। পরিবার নিয়ে গল্প সবসময়ই মানুষের কাছে আলাদা জায়গা পায়।
৫২ পর্বে শেষ হচ্ছে ‘এটা আমাদেরই গল্প’, আপনার অনুভূতি জানতে চাই…
একটা মিশ্র অনুভূতি কাজ করছে। একটা সুন্দর যাত্রার শেষ মানে একটু খারাপ লাগা তো থাকেই। কিন্তু একই সাথে তৃপ্তিও আছে, আমরা গল্পটা সুন্দরভাবে শেষ করতে পারছি।
কলাকুশলীদের সম্পর্কে কি বলবেন?
এই কাজটা একা কারো না, পুরো টিমের। সামনে যারা আছে, পেছনে যারা অক্লান্ত পরিশ্রম করেছে, সবাই মিলে এটা সম্ভব হয়েছে। আমি সত্যিই সবার কাছে কৃতজ্ঞ।
এ সিরিজের সিক্যুয়াল কি আসবে?
না আসবে না। তবে নতুন মৌলিক গল্পের সিরিজ আসবে!
বড়পর্দায় আপনার অনেকদিনের অনুপস্থিতি, এবার কি ফিরবেন?
আপাতত না।



