প্রায় সাড়ে ছয় কোটি বছর আগে এক বিশাল উল্কাপিণ্ড মধ্য আমেরিকায় আছড়ে পড়ে। শিলাখণ্ডের সঙ্গে সংঘর্ষের কারণে বায়ুমণ্ডলে ছড়িয়ে পড়ে সালফার ডাই-অক্সাইড ও কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাসের বিষাক্ত মিশ্রণ, বিষবাষ্প, ধুলাবালু ইত্যাদি। আকাশ ঢেকে যায় মেঘে। সূর্যের আলো পৃথিবীতে পৌঁছাতে পারেনি। পৃথিবী হিমশীতল হতে থাকে। শুরু হয় অ্যাসিড-বৃষ্টি। গাছপালা মরে যায়। উদ্ভিদ হলো ডাইনোসরের প্রধান খাদ্য। এর অভাব দেখা দেয়। এসব কারণে ডাইনোসর বিলুপ্ত হয়ে গেছে বলে বিজ্ঞানীদের ধারণা।
উল্কাপিণ্ড সমুদ্রে পড়লে কী হতো?
এখন ধরা যাক, সেই উল্কাপিণ্ডটি মাটিতে না পড়ে কিছু দূরে সমুদ্রে পড়ল, তাহলে কি অন্য রকম কিছু হতে পারত? বিজ্ঞানীরা মনে করেন, তাহলে হয়তো ডাইনোসর পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হতো না। আজ আমরা হয়তো মিরপুর চিড়িয়াখানায় বিশাল আকারের ডাইনোসর দেখতে পেতাম!
ডাইনোসরের জীবনকাল
ডাইনোসর কত বছর বাঁচত তা নিয়ে গবেষণা চলছে। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
কার্যকারণ ও বিজ্ঞানচিন্তা
এই ঘটনা থেকে আমরা জানতে পারি যে, একটি ছোট পরিবর্তনও পৃথিবীর ইতিহাসে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। বিজ্ঞানচিন্তা ও জানা অজানা বিষয়গুলো আমাদের ভবিষ্যৎ বুঝতে সাহায্য করে।



