জাতিসংঘের সহায়তায় লিঙ্গভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ জোরদার করতে সেমিনার
লিঙ্গভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ জোরদারে জাতিসংঘের সেমিনার

জাতিসংঘ প্রকল্প সেবা কার্যালয় (ইউএনওপিএস) বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) যৌথ উদ্যোগে শনিবার এক সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এই সেমিনারের লক্ষ্য হলো টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়নের জন্য লিঙ্গভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ আরও জোরদার করা।

বাংলাদেশ মডেল তৈরির উদ্যোগ

‘বাংলাদেশে এসডিজি স্থানীয়করণ ত্বরান্বিতকরণ’ প্রকল্পের আওতায় এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এতে এসডিজি ৫ (লিঙ্গ সমতা) এবং এসডিজি ১৬ (শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান) অর্জনের জন্য একটি ‘বাংলাদেশ মডেল’ তৈরি করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে ইউএনওপিএস, যাতে সহযোগিতা করছে জাতিসংঘের নারী বিষয়ক সংস্থা ইউএন উইমেন।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীরা

সেমিনারে বিবিএস, জেলা প্রশাসন, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, সুশীল সমাজ ও নারী সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। তারা স্থানীয় পর্যায়ে লিঙ্গভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ ও ব্যবহারের উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বিবিএসের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক মোহাম্মদ ওবায়দুল ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। ডেমোগ্রাফি অ্যান্ড হেলথ উইংয়ের পরিচালক মো. এমদাদুল হক সভাপতিত্ব করেন। ইউএনওপিএসের পার্টনারশিপ অ্যাডভাইজার শিরিন সুলতানা বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এসডিজি সেলের ফোকাল পয়েন্ট মো. আলমগীর হোসেন স্বাগত বক্তব্য দেন।

লিঙ্গভিত্তিক তথ্যের গুরুত্ব

বক্তারা বলেন, নারী ও প্রান্তিক গোষ্ঠীর বৈষম্য দূর করতে সঠিক ও সময়োপযোগী তথ্য অপরিহার্য। স্থানীয় তথ্য ব্যবস্থা শক্তিশালী করে বিবিএসের জাতীয় মানের সাথে সমন্বয় করা জরুরি, যাতে প্রমাণভিত্তিক নীতি নির্ধারণ উন্নত হয়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সেমিনারে বাংলাদেশের ৩৯+১ জাতীয় অগ্রাধিকার লক্ষ্যমাত্রার ওপর জোর দেওয়া হয়। বিশেষ করে নারী শ্রমশক্তির অংশগ্রহণ, বাল্যবিবাহ কমানো, স্থানীয় সরকারে নারীর প্রতিনিধিত্ব বাড়ানো এবং নারীর নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে ন্যায়বিচার ও প্রতিষ্ঠানিক সাড়া দেওয়ার ক্ষমতা বাড়ানোর ওপর আলোকপাত করা হয়।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

এই উদ্যোগের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে লিঙ্গভিত্তিক তথ্য সংরক্ষণ এবং জাতীয় এসডিজি ট্র্যাকারে রিপোর্টিং উন্নত করার প্রতিশ্রুতি জোরদার হবে। এছাড়া ঢাকা, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিভাগে ১৯০ জন ‘এসডিজি ডেটা চ্যাম্পিয়ন’ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।