বৃহস্পতিবার নওগাঁ, বরিশাল ও নাটোর জেলায় বজ্রপাতে ছয়জন নিহত হয়েছেন। বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, নওগাঁয় তিনজন, বরিশালে দুইজন ও নাটোরে একজনের মৃত্যু হয়েছে।
নওগাঁয় তিনজন নিহত
নওগাঁর রাণীনগর উপজেলায় পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় দুই কৃষকসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। বৃষ্টির মধ্যে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে প্রাণ হারান দুই কৃষক। উপজেলার জাঠাইল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন রাণীনগর উপজেলার পারইল গ্রামের প্রয়াত আসাদ ফকিরের ছেলে আক্কাস ফকির (৬০) এবং তার আত্মীয় আমিনুল ইসলাম ফকিরের ছেলে তারেক ফকির (২৪)।
রাণীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকারিয়া মন্ডল জানান, বৃষ্টির সময় ধানক্ষেতে কাজ করার সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই দুই কৃষকের মৃত্যু হয়। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে।
এছাড়া, সকাল ১১টার দিকে বৃষ্টির মধ্যে গবাদি পশু ফিরিয়ে আনার সময় বজ্রপাতে নিহত হন গুয়াতা আতনিতাপড়া গ্রামের নয়ন তালুকদার। রাণীনগর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) নজরুল ইসলাম জানান, স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে প্রতিটি নিহতের পরিবারকে ২০ হাজার টাকা করে প্রদান করা হবে।
বরিশালে দুইজন নিহত
বরিশালের গৌরনদী উপজেলার মাহিলারা ভীমের পাড় এলাকায় পান বাগানে কাজ করার সময় বজ্রপাতে দুই শ্রমিক নিহত ও একজন আহত হয়েছেন। গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিক হাসান রাসেল জানান, বিকেল ২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন জেলার উজিরপুর উপজেলার আলিম হাওলাদারের ছেলে আবু তালেব হাওলাদার এবং মুকুন্দ বালার ছেলে সুকান্ত বালা (৩৮)। আহত ব্যক্তিকে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে।
নাটোরে একজনের মৃত্যু
নাটোরের লালপুর উপজেলার সিরাজিপুর এলাকায় একটি ইটভাটায় কাজ করার সময় বজ্রপাতে ৬০ বছর বয়সী এক শ্রমিক নিহত ও আরেকজন আহত হয়েছেন। নিহত ব্যক্তি হলেন উপজেলার এসকেন আলী। লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, সকালে ঝড়ের সময় বজ্রপাতে দুই শ্রমিক জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। পরে তাদের লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক এসকেন আলীকে মৃত ঘোষণা করেন।



